রসুলে পাক(দঃ) প্রস্রাব, পায়খানা মোবরক ইত্যাদির ফযীলত

Standard

রাসুলেপাক সাহেবে লাওলাক নূরনবী মোহাম্মাদূর রাসূলুল্লাহ
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দেহ মোবারক
থেকে পরিত্যক্ত দ্রব্যাদি যথা: পেশাব মোবারক,
পায়খানা মোবারক, রক্ত মোবারক ইত্যাদি ফুজলাত মোবারক পাক
ও পবিত্র।
>>>>> ফতোয়া ﻓﺘﺎﻭﻯ <<<<<
====================
নূরনবী মোহাম্মাদূর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লামের দেহ মোবারক থেকে পরিত্যক্ত
দ্রব্যাদি যথা- পেশাব মোবারক, পায়খানা মোবারক, রক্ত
মোবারক ইত্যাদি ফুজলাত মোবারক পাক-পবিত্র সুগন্ধ ও
বরকতময়। এতে চার মাযহাবের উলামায়ে কেরাম ও
ফোকাহায়ে এজাম এমনকী সমস্ত মুহাদ্দিসিন ও
মুফাসসিরীনে কেরাম ঐকমত্য পোষণ করেছেন যে,
আল্লাহর হাবীবের ফুজলাত মোবারক উম্মতের জন্য পাক ও
পবিত্র।
এ প্রসঙ্গে হানাফী মাযহাবের প্রখ্যাত ফকীহ
আল্লামা ইবনে আবেদীন শামী (রা.) তদীয় ‘রাদ্দুল মুহতার
বা ফতোয়ায়ে শামী’ কিতাবের ১ম খণ্ড ৩১৮ পৃষ্ঠায় উল্লেখ
করেন-
ﺻﺤﺢ ﺑﻌﺾ ﺍﺋﻤﺔ ﺍﻟﺸﺎﻓﻌﻴﺔ ﻃﻬﺎﺭﺓ ﺑﻮﻟﻪ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻭﺳﺎﺋﺮ ﻓﻀﻼﺗﻪ . ﻭﺑﻪ ﻗﺎﻝ ﺍﺑﻮ
ﺣﻨﻴﻔﺔ ﻛﻤﺎ ﻧﻘﻠﻪ ﻓﻰ ﺍﻟﻤﻮﺍﻫﺐ ﺍﻟﻠﺪﻧﻴﺔ ﻋﻦ ﺷﺮﺡ ﺍﻟﺒﺨﺎﺭﻯ ﻟﻠﻌﻴﻨﻰ . ﻭﺻﺮﺡ ﺑﻪ ﺍﻟﺒﻴﺮﻯ ﻓﻰ ﺷﺮﺡ
ﺍﻻﺷﺒﺎﻩ . ﻭﻗﺎﻝ ﺍﻟﺤﺎ ﻓﻆ ﺍﺑﻦ ﺣﺠﺮ: ﺗﻈﺎﻓﺮﺕ ﺍﻻﺩﻟﺔ ﻋﻠﻰ ﺫﻟﻚ ﻭﻋﺪ ﺍﻻﺋﻤﺔ ﺫﻟﻚ ﻣﻦ ﺧﺼﺎﺋﺼﻪ
ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻭﻧﻘﻞ ﺑﻌﻀﻬﻢ ﻋﻦ ﺷﺮﺡ ﺍﻟﻤﺸﻜﺎﺓ ﻟﻤﻼ ﻋﻠﻰ ﺍﻟﻘﺎﺭﻯ ﺍﻧﻪ ﻗﺎﻝ ﺍﺧﺘﺎﺭﻩ ﻛﺜﻴﺮ
ﻣﻦ ﺍﺻﺤﺎﺑﻨﺎ ﻭﺍﻃﺎﻝ ﻓﻰ ﺗﺤﻘﻴﻘﻪ ﻓﻰ ﺷﺮﺣﻪ ﻋﻠﻰ ﺍﻟﺸﻤﺎﻳﻞ ﻓﻰ ﺑﺎﺏ ﻣﺎ ﺟﺎﺀ ﻓﻰ ﺗﻌﻄﺮﻩ ﻋﻠﻴﻪ
ﺍﻟﺼﻼﺓ ﻭﺍﻟﺴﻼﻡ .
অর্থাৎ ‘শাফেয়ী মাযহাবের অনেক আইম্মায়ে কেরামগণ
নূরনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পেশাব মোবারক
এবং সমূদয় ফুজলাত মোবারাকা বা দেহ মোবারক
থেকে পরিত্যক্ত দ্রব্যাদি যে পাক ও পবিত্র তা সহীহ বা সঠিক
বলে অভিমত পোষণ করেছেন। ইমামে আ’জম আবু
হানিফা (রা.) ও সরকারে কায়েনাতের ফুজলাত মোবারকা যে পাক ও
পবিত্র এ অভিমত পেশ করেছেন। যেমন
আইনী শরহে বোখারী থেকে ‘মাওয়াহিবে লাদুনিয়া’ নামক
কিতাবে এর সবিস্তার বর্ণনা করা হয়েছে।
অপরদিকে আল্লামা বায়রী (রা.) শরহে আশবাহ গ্রন্থে হুজুর
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ফুজালাত মোবারকা যে পবিত্র
এর বিশদ ব্যাখ্যা দিয়েছেন।
হাফিয ইবনে হজর আসকালানী (রা.) অভিমত প্রকাশ করেছেন
যে, নূরনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামার পেশাব মোবারক
এবং দেহ মোবারক থেকে পরিত্যক্ত সকল প্রকার
দ্রব্যাদি যে পাক-পবিত্র এর উপর অকাট্য ও অখণ্ডনীয় দলিল-
আদিল্লা বিদ্যমান রয়েছে এবং সকল ইমামগণ এটাকে হুজুর
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের খসুসিয়ত বা বিশেষত্বের
মধ্যে গণ্য করেছেন।
অনেক উলামায়ে কেরামগণ হযরত
মোল্লা আলী ক্বারী (রা.) এর লিখিত ‘মিরআত শরহে মিশকাত’
থেকে এ বিষয়ে সবিস্তার বর্ণনা করেছেন।
তিনি (মোল্লা আলী ক্বারী) বলেন, এই মাসআলার
ব্যাপারে আমাদের ইমামগণের মনোনীত অভিমত হল এই
যে, হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দেহ মোবারক
থেকে পরিত্যক্ত সমূদয় দ্রব্যাদি পূত:পবিত্র।
হুযরত মোল্লা আলী ক্বারী (রা.) শরহে শামাইল গ্রন্থে ﺑﺎﺏ
ﻣﺎ ﺟﺎﺀ ﺗﻌﻄﺮﻩ ﻋﻠﻴﻪ ﺍﻟﺼﻼﺓ ﻭﺍﻟﺴﻼﻡ (বাবু মা জায়া তারাত্বরিহী আলাইহিস সালাতু
ওয়াস সালাম) অধ্যায়ে হুজুর আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
এর দেহ মোবারক থেকে পরিত্যক্ত দ্রব্যাদি যে পাক ও
পবিত্র তার পূর্ণ তাহকীকসহ দলিল-আদিল্লার মাধ্যমে সবিস্তার
আলোচনা করেছেন।’
আল্লামা ইবনে আবেদীন শামী (রা.) এর উপরোক্ত
বর্ণনা দ্বারা প্রতীয়মান হল, হুজুর আকরম সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওসাল্লামার পেশাব মোবারক, পায়খানা মোবারক, রক্ত
মোবারক ও দেহ মোবারক থেকে পরিত্যক্ত সমুদয়
দ্রব্যাদি পাক ও পবিত্র এবং সুগন্ধযুক্ত এ বিষয়ে মুহাক্কিক
উলামায়ে কেরামগণ, ফোকাহায়ে এজাম ও মুহাদ্দিসিনে কেরাম
ঐকমত্য পোষণ করেছেন। আল্লামা কাসতালানী (রা.) ওফাত
৯২৩ হিজরি) তদীয় ‘মাওয়াহিবে লাদুনিয়া’ নামক কিতাবের ১ম খণ্ড
২৮৪/২৮৫ পৃষ্ঠায় এ পসঙ্গে হাদিস উল্লেখ করেন-
ﻋﻦ ﺍﻡ ﺍﻳﻤﻦ ﻗﺎﻟﺖ ﻗﺎﻡ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻣﻦ ﺍﻟﻠﻴﻞ ﺍﻟﻰ ﻓﺨﺎﺭﺓ ﻓﻰ ﺟﺎﻧﺐ ﺍﻟﺒﻴﺖ
ﻓﺒﺎﻝ ﻓﻴﻬﺎ ﻓﻘﻤﺖ ﻣﻦ ﺍﻟﻠﻴﻞ ﻭﺍﻧﺎ ﻋﻄﺸﺎ ﻧﺔ ﻓﺸﺮﺑﺖ ﻣﺎ ﻓﻴﻬﺎ ﻭﺍﻧﺎﻻ ﺍﺷﻌﺮ ﻓﻠﻤﺎ ﺍﺻﺒﺢ ﺍﻟﻨﺒﻰ
ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻗﺎﻝ ﻳﺎ ﺍﻡ ﺍﻳﻤﻦ ﻗﻮﻣﻰ ﻓﺎﻫﺮﻳﻘﻰ ﻣﺎ ﻓﻰ ﺗﻠﻚ ﺍﻟﻔﺨﺎﺭﺓ ﻓﻘﻠﺖ ﻗﺪ ﻭﺍﻟﻠﻪ
ﺷﺮﺑﺖ ﻣﺎ ﻓﻴﻬﺎ ﻗﺎﻟﺖ ﻓﻀﺤﻚ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﺣﺘﻰ ﺑﺪﺕ ﻧﻮﺍﺟﺬﻩ ﺛﻢ ﻗﺎﻝ ﺃﻣﺎ
ﻭﺍﻟﻠﻪ ﻻﻳﻴﺠﻌﻦ ﺑﻄﻨﻚ ﺍﺑﺪﺍ .
অর্থাৎ ‘হযরত উম্মে আয়মন থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক রাত্রিতে ঘুম
মোবারক থেকে উঠে ঘরের পাশ্বে একটি মাটির
পাত্রে পেশাব মোবারক করলেন। আমি রাত্রে ঘুম
থেকে উঠে খুব তৃষ্ণার্তবোধ করলাম। অতঃপর মাটির
পাত্রে যা ছিল তা পান করে নিলাম। পাত্রে কী ছিল
আমি মোটেই অবগত নই। তার পর প্রত্যুষে নবী করিম
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে সম্বোধন
করে বললেন হে উম্মে আয়মন! ঘুম
থেকে উঠো এবং মাটির পাত্রে যা আছে তা ফেলে দাও।
অতঃপর আমি বললাম নিশ্চয় আল্লাহর কসম মাটির পাত্রে যা কিছু ছিল
তা আমি পান করে ফেলেছি। তিনি (উম্মে আয়মন) বলেন তৎণাৎ
আল্লাহর হাবীব সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঁেহসে দিলেন
এমনকি তাঁর প্রান্তসীমার দাঁত মোবারক প্রকাশিত
হয়ে গিয়েছিল। অতঃপর আল্লাহর হাবীব বললেন, আল্লাহর
কসম তোমার পেটে কখনো পীড়া হবে না।’
আল্লামা কাজী আয়াজ (রা.) ওফাত ৫৪৪ হিজরি) তদীয় ‘আশ শিফা’
নামক কিতাবের ১ম খণ্ডের ৬৫ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করেন-
ﻗﺪ ﺭﻭﻯ ﻧﺤﻮ ﻣﻦ ﻫﺬﺍ ﻋﻨﻪ ﻓﻰ ﺍﻣﺮﺃﺓ ﺷﺮﺑﺖ ﺑﻮﻟﻪ ﻓﻘﺎﻝ ﻟﻬﺎ ﻟﻦ ﺗﺸﺘﻜﻰ ﻭﺟﻊ ﺑﻄﻨﻚ ﺍﺑﺪﺍ ﻭﻟﻢ
ﻳﺎﻣﺮ ﻭﺍﺣﺪﺍ ﻣﻨﻬﻢ ﺑﻐﺴﻞ ﻓﻢ ﻭﻻﻧﻬﺎﻩ ﻋﻦ ﻋﻮﺩﺓ ﻭﺣﺪﻳﺚ ﻫﺬﻩ ﺍﻟﻤﺮﺃﺓ ﺍﻟﺘﻰ ﺷﺮﺑﺖ ﺑﻮﻟﻪ ﺻﺤﻴﺢ
ﺍﻟﺰﻡ ﺍﻟﺪﺍﺭ ﻗﻄﻨﻰ ﻣﺴﻠﻤﺎ ﻭﺍﻟﺒﺨﺎﺭﻯ ﺍﺧﺮﺍﺟﻪ ﻓﻰ ﺍﻟﺼﺤﻴﺢ . ﻭﺍﺳﻢ ﻫﺬﻩ ﺍﻟﻤﺮﺃﺓ ﺑﺮﻛﺔ ﻭﺍﺧﺘﻠﻒ ﻓﻰ
ﻧﺴﺒﻬﺎ ﻭﻗﻴﻞ ﻫﻰ ﺍﻡ ﺍﻳﻤﻦ .
অর্থাৎ ‘নূরনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামার পেশাব
মোবারক জনৈক মহিলা কর্তৃক পান করা সংক্রান্ত অনুরূপ
আরো হাদিস বর্ণিত আছে। জনৈক মহিলা হুজুর সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লামার পেশাব মোবারক পান করলে আল্লাহর
হাবীব এ মহিলাকে বললেন, তোমার কষ্মিনকালেও কোন
ব্যাধি হবে না।’ আল্লাহর হাবীব তাদের কাউকে (যারা রক্ত
মোবারক ও পেশাব মোবারক পান করলো) মুখ ধৌত করারও
নির্দেশ প্রদান করেননি এবং পূনরায় পান করতেও নিষেধ
করেননি। (আল্লামা কাজী আয়াজ বলেন) মহিলা কর্তৃক
নূরনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পেশাব মোবারক পান
সংক্রান্ত হাদিস সহীহ বা বিশুদ্ধ। দারুল কুতনী ইমাম
মুসলিমকে মৃদু অভিযুক্ত করেছেন আর ইমাম বোখারী (রা.)
এর বর্ণনাকে সহীহর মধ্যে গণ্য করেছেন। সে মহিলার
নাম ছিল বারাকা (যিনি উ¤মূল মো’মিনিন হযরত উম্মে হাবিবার
সাথে আবিসিনিয়া থেকে এসেছিলেন) আর কেউ কেউ
বলেছেন, তার নাম ছিল উম্মে আয়মন।’
নবম শতকের মুজাদ্দিদ আল্লামা জালাল উদ্দিন সুয়ূতী (রা.)
তদীয় ﺗﻬﺬﻳﺐ ﺍﻟﺨﺼﺎﺋﺺ ﺍﻟﻨﺒﻮﻳﺔ ﺍﻟﻜﺒﺮﻯ নামক কিতাবের ৬২ পৃষ্ঠায়
বর্ণনা করেন-
ﻋﻦ ﺳﻔﻴﻨﺔ ﺭﺿﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﺗﻌﺎﻟﻰ ﻋﻨﻪ ﻗﺎﻝ: ﺍﺣﺘﺠﻢ ﺍﻟﻨﺒﻰ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻗﺎﻝ: ﺧﺬ ﻫﺬﺍ ﺍﻟﺪﻡ
ﻓﺎﺩﻓﻨﻪ ﻣﻦ ﺍﻟﺪﻭﺍﺏ ﻭﺍﻟﻄﻴﺮ ﻭﺍﻟﻨﺎﺱ ﻓﺘﻐﻴﺒﺖ
ﻓﺸﺮﺑﺘﻪ ﺛﻢ ﺫﻛﺮﺕ ﻟﻪ ﺫﻟﻚ ﻓﻀﺤﻚ .
অর্থাৎ ‘হযরত সফিনা (রা.) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন,
নূরনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর রক্ত মোবারক
মোণ করে বলে ছিলেন, তুমি এ রক্ত মোবারক নিয়ে পশু
পাখি ও মানুষ থেকে গোপন করে রাখ। অতঃপর
আমি ইহা গোপন করলাম অর্থাৎ পান করে নিলাম। আর যখন
আমি আল্লাহর হাবীবের দরবারে ইহা পান করার সংবাদ প্রকাশ
করলাম তৎণাতই আল্লাহর হাবীব ঁেহসে দিলেন
তথা খুশি হলেন।’
আল্লামা কাযী আয়াজ (রা.) ওফাত ৫৪৪ হিজরি) তদীয় ‘শিফা শরীফ’
১ম খণ্ড ৬৩ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করেন-
ﺣﻜﻰ ﺑﻌﺾ ﺍﻟﻤﻌﺘﺘﻴﻦ ﺑﺎﺧﺒﺎﺭﻩ ﻭﺷﻤﺎﺋﻠﻪ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﺍﻧﻪ ﻛﺎﻥ ﺍﺫﺍ ﺍﺭﺍﺩ ﺍﻥ ﻳﺘﻐﻮﻁ
ﺍﻧﺸﻘﺖ ﺍﻻﺭﺽ ﻓﺎﺑﺘﻠﻌﺖ ﻏﺎﺋﻄﻪ ﻭﺑﻮﻟﻪ ﻭﻓﺎﺣﺖ ﻟﺬﻟﻚ ﺭﺍﺋﺤﺔ ﻃﻴﺒﺔ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻭﺍﺳﻨﺪ
ﻣﺤﻤﺪ ﺑﻦ ﺳﻌﺪ ﻛﺎﺗﺐ ﺍﻟﻮﺍﻗﺪﻯ ﻓﻰ ﻫﺬﺍ ﺧﺒﺮﺍ ﻋﻦ ﻋﺎﺋﺸﺔ ﺭﺿﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻬﺎ ﺍﻧﻬﺎ ﻗﺎﻟﺖ ﻟﻨﺒﻰ ﺻﻠﻰ
ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﺍﻧﻚ ﺗﺄﺗﻰ ﺍﻟﺨﻼﺀ ﻓﻼﻧﺮﻯ ﻣﻨﻚ ﺷﻴﺌﺎ ﻣﻦ ﺍﻻﺫﻯ ﻓﻘﺎﻝ ﻳﺎ ﻋﺎﺋﺸﺔ ﺍﻭ ﻣﺎ ﻋﻠﻤﺖ ﺍﻥ
ﺍﻻﺭﺽ ﺗﺒﺘﻠﻊ ﻣﺎ ﻳﺨﺮﺝ ﻣﻦ ﺍﻻﻧﺒﻴﺎﺀ ﻓﻼ ﻳﺮﻯ ﻣﻨﻪ ﺷﺊ؟ ﻭﻫﺬﺍ ﺍﻟﺨﺒﺮ ﻭﺍﻥ ﻟﻢ ﻳﻜﻦ ﻣﺸﻬﻮﺭﺍ ﻓﻘﺪ
ﻗﺎﻝ ﻗﻮﻡ ﻣﻦ ﺍﻫﻞ ﺍﻟﻌﻠﻢ ﺑﻄﻬﺎﺭﺓ ﻫﺬﺍﻳﻦ ﺍﻟﺤﺪﺛﻴﻦ ﻣﻨﻪ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ
অর্থাৎ ‘অনেক বিজ্ঞ হাদিস বিশারদ উলামায়ে কেরাম,
রাসূলে আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদিস শরীফ ও
শামাঈল শরীফ (আখলাক-চরিত্র) বর্ণনা করেছেন, আল্লাহর
হাবীবের শান ছিল এই, যখন তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
পায়খানা মোবারক করার ইচ্ছা করতেন, তখন মাটি বিদীর্ণ
হয়ে যেতো এবং পায়খানা মোবারক ও পেশাব মোবারক
গিলে ফেলতো এবং সে স্থান উৎকৃষ্ট ও পবিত্র
সুঘ্রাণে মুখরিত হয়ে যেতো।’
‘আল ওয়াকেদী’ এর লিখক মুহাম্মদ ইবনে ছায়াদ এই
হাদিসকে সনদযুক্ত করেছেন হযরত আয়েশা সিদ্দিকা (রা.)
থেকে।
উ¤মূল মো’মিনিন হযরত আয়েশা সিদ্দিকা (রা.) নবী করিম
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামার খেদমতে আরজ করলেন,
আপনি যখন শৌচাগার থেকে আসেন তখন আমরা সেখানে কিছুই
দেখতে পাই না । (ইহা শুনে) আল্লাহর হাবীব সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হে আয়েশা! তুমি কি জান
না আম্বিয়ায়ে কেরাম থেকে যা কিছু নির্গত হয়,
মাটি তা গিলে ফেলে এবং তার কিছুই দেখা যায় না।
আল্লামা কাযী আয়াজ (রা.) বলেন, এই খবর বা হাদিস
শরীফখানা যদিও মশহুর পর্যায়ে নয়, তথাপি একদল বিজ্ঞ
উলামায়ে কেরাম এ দুখানা হাদিস শরীফ দ্বারা নূরনবী সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লামার পেশাব মোবারক ও পায়খানা মোবারক পবিত্র
সাব্যস্ত করেছেন।’
তেরশত শতাব্দীর মোজাদ্দিদ শাহ আব্দুল আজিজ
মোহাদ্দিসে দেহলভী (রা.) তদীয় ‘ তাফসিরে আজিজি’ নামক
কিতাবের ২১৯ পৃষ্ঠা ‘সূরা দ্বোহা’ এর ব্যাখ্যায় উল্লেখ করেন-
অর্থাৎ ‘রাসূলেপাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামার ফুজলাত
বা পেশাব মোবারক ও পায়খানা মোবারকের চিহ্ন মাটিতে কেহ
দেখেনি। কারণ ইহা মাটিতে অন্তর্নিহিত হয়ে যেতো। আর
ঐ স্থান থেকে কস্তুরীর সুগন্ধি ভেসে উঠতো।’
আল্লামা কাসতালানী (রা.) ওফাত ৯২৩ হিজরি) তদীয়
‘মাওয়াহিবে লাদুনিয়া’ নামক কিতাবে এ সংক্রান্ত অনেক হাদিস
বর্ণনা করে বলেন-
ﻭﻓﻰ ﻫﺬﻩ ﺍﻻﺣﺎﺩﻳﺚ ﺩﻻﻟﺔ ﻋﻠﻰ ﻃﻬﺎﺭﺓ ﺑﻮﻟﻪ ﻭﺩﻣﻪ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ‏( ﻣﻮﺍﻫﺐ ﻟﺪﻧﻴﻪ ﺟﻠﺪ
ﺍﻻﻭﻝ۲۸۵ )
অর্থাৎ ‘এ সকল হাদিস শরীফ দ্বারা প্রমাণিত হল,
নূরনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পেশাব মোবারক ও
রক্ত মোবারক পাক ও পবিত্র।।’
সহীহ বোখারী শরীফের ব্যাখ্যাকার আহমদ বিন মুহাম্মদ
আসকালানী (রা.) ওফাত ৮৫২ হিজরি) তাঁর দলিলভিত্তিক ভাষ্য
আল্লামা কাসতালানী তদীয় ‘মাওয়াহিবে লাদুনিয়া’ নামক কিতাবের ১ম
খণ্ড ২৮৫ পৃষ্ঠায় উল্লেখ রয়েছে-
ﻭﻗﺎﻝ ﺷﻴﺦ ﺍﻻﺳﻼﻡ ﺍﺑﻦ ﺣﺠﺮ ﻗﺪ ﺗﻜﺎﺛﺮﺕ ﺍﻻﺩﻟﺔ ﻋﻠﻰ ﻃﻬﺎﺭﺓ ﻓﻀﻼﺗﻪ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻭﻋﺪ
ﺍﻻﺋﻤﺔ ﺫﻟﻚ ﻓﻰ ﺧﺼﺎﺋﺼﻪ ﺍﻧﺘﻬﻰ .
অর্থাৎ ‘শায়খুল ইসলাম আল্লামা ইবনে হজর আসকালানী (রা.)
ওফাত ৮৫২ হিজরি) বলেন, নূরনবী সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লামের ফুজলাত মোবারকা তথা দেহ মোবারক
থেকে বহির্ভূত সমূদয় দ্রব্যাদি পাক-পবিত্র হওয়ার উপর অসংখ্য
দলিল আদিল্লাহ বিদ্যমান রয়েছে এবং দ্বীনের ইমামগণ
ইহাকে হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের খুসুসিয়ত
বা বৈশিষ্ট্যের মধ্যে গণ্য করেছেন।’
মোদ্দাকথা হল, উম্মে আয়মন (রা.) সহ যাঁরা আল্লাহর হাবীব
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামার পেশাব মোবারক পান করেছেন
এবং সফিনা (রা.) রক্ত মোবারক পান করেছেন, অপরদিকে হযরত
জুবাইর (রা.) ও রক্ত মোবারক পান করেছেন, এ সংক্রান্ত হাদিস
শরীফসমূহ সহীহ বা বিশুদ্ধ। অথচ নূরনবী সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইহা পান করতে নিষেধ করেন নাই
বরং আনন্দিত হয়েছেন।
এ সকল দলিলের উপর ভিত্তি করে দ্বীনের মুহাক্কিক
উলামায়ে কেরাম আল্লাহর হাবীব সাল্লাল্লাহু আলাাইহি ওয়াসাল্লামার
পেশাব মোবারক, রক্ত মোবারক এবং পায়খানা মোবারকসহ
সকল ফুজলাত মোবারক উম্মতের বেলায় পাক ও পবিত্র
বলে অভিমত পেশ করেছেন। ইহাই সঠিক আক্বিদা

হাদিসের আলোকে রসুলে পাক(দঃ) এর বৈশিষ্ট্য

Standard

১. রাসূলে করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
সৃষ্টিগতভাবে সর্বপ্রথম নবী। (তিরমিযী)
২. প্রেরণের দিক দিয়ে প্রিয় রসূল সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম সর্বশেষ নবী। (বুখারী মুসলিম)
৩. আল্লাহ্ তায়ালা সর্বপ্রথম স্বীয় নূর এর ফয়েজ
থেকে প্রিয় রসূলের নূর সৃষ্টি করেন। (বায়হাকী ও
মাওয়াহেবে লাদুনিয়া)
৪. রসূলে করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম’র প্রেম
ভালবাসা ছাড়া কোন ব্যক্তি মু’মিন হতে পারবে না।
(বুখারী ও মুসলিম শরীফ)
৫. প্রিয় রসূলকে সমগ্র সৃষ্টির জন্য রসূলরূপে প্রেরণ
করা হয়েছে। (বুখারী ও মুসলিম)
৬. নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সমগ্র
সৃষ্টির মধ্যে সর্বোত্তম মর্যাদাবান ও শ্রেষ্ঠত্বের
অধিকারী। (তিরমিযী)
৭. রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর
প্রিয় হাবীব। (মিশকাত)
৮. রসূলে করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সমগ্র
সৃষ্টির মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ জ্ঞানী ও প্রজ্ঞাবান।(আবু নাঈম,
ইবনে আসাকির)
৯. ইমামুল আম্বিয়ার মু’জিযা সকল নবীর চেয়ে অধিক।
(খাসায়েসে কুবরা)
১০. আল্লাহ্ তায়ালা তার কতেক নাম প্রিয় রসূল
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম’কে দান করেছেন।
(কিতাবুশ্ শিফা, আবু নাঈম, খাসায়েসে কুবরা)
১১. প্রিয় রসূলের নাম মোবারক ‘মুহাম্মাদ’ আল্লাহর পবিত্র
নাম ‘মাহমূদ’ থেকে নির্গত। (খাসায়েসে কুবরা)
১২. তাওরাত, ইঞ্জিল ও অন্যান্য
আসমানী কিতাবসমূহে প্রিয় রসূলের আলোচনা বিদ্যমান।
(ইবনে আসাকির, দারমী)
১৩. হুজূর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম’র শরীয়ত
পূর্ববর্তী শরীয়তসমূহের রহিতকারী এবং কিয়ামত
অবধি তা বিদ্যমান থাকবে। (খাসায়েসে কুবরা)
১৪. যদি অন্যান্য নবীগণ প্রিয়নবীর যুগে আসতেন তার অনুসরণ
ও সাহায্য করতেন। (খাসায়েসে কুবরা)
১৫. রাহমাতুল্লিল আলামীন সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম’র জন্য সমগ্র
জমিনকে পবিত্রকারী এবং মসজিদে রূপান্তর করা হয়েছে।
(বুখারী ও মুসলিম শরীফ)
১৬. আল্লাহ্ তায়ালা হুজূর সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম’র সমবয়সীকে তাঁর অনুগত
করে দিয়েছেন। (মুসলিম শরীফ)
১৭. প্রিয় রসূল সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম’কে সমগ্র সৃষ্টিরাজির জন্য
রহমতরূপে প্রেরণ করা হয়েছে। (মুসলিম)
১৮. হুজূর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইবরাহীম
আলাইহিস্ সালাম’র দোয়া। (মিশকাত শরীফ)
১৯. হুজূর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
ঈসা আলাইহিস্ সালাম’র সুসংবাদ। (মিশকাত শরীফ)
২০. নবীজির শুভাগমনকালে এমন নূর উদ্ভাসিত
হয়েছে যদ্বারা পারস্যের প্রাসাদসমূহ আলোকিত হয়েছিল।
(মিশকাত)
২১. প্রিয় রসূল সিজদারত অবস্থায় এ
পৃথিবীতে তাশরী আনেন। (খাসায়েসে কুবরা)
২২. হুজূর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খত্নাকৃত জন্ম
গ্রহণ করেন, কেউ তাঁর লজ্জাস্থান দেখেনি। (তিবরানী,
প্রাগুক্ত)
২৩. প্রিয় রসূল দোলনায় চাঁদের সাথে খেলতেন, চন্দ্র তাঁর
ইঙ্গিতে চলত। (বায়হাকী শরীফ)
২৪. রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম’র
আবির্ভাবকালে মূর্তিসমূহের মুখমন্ডল অবনত
হয়ে গিয়েছিল। (প্রাগুক্ত)
২৫. ফেরেশতারা প্রিয় রসূলের দোলনাকে দোলা দিত।
রোদ্রের মধ্যে মেঘমালা তাঁকে ছায়াঁ দান করত। (প্রাগুক্ত)
২৬. প্রিয়নবীর আগমনকালে মূর্তিসমূহ উপুড় হয়ে পড়েছিল।
(আবু নাঈম, খাসায়েসে কুবরা)
২৭. প্রিয় রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম‘র
শুভাগমনের কারণে শয়তানদেরকে আসমান পর্যন্ত
পৌঁছা নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। -(বায়হাকী শরীফ)
২৮. মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হযরত
জিব্রাঈল আলাইহিস্ সালাম’কে মূল আকৃতিতে দেখেছেন।
(মসনদে আহমাদ)
২৯. প্রিয় রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হযরত
মূসা আলাইহিস্ সালাম‘কে কবরে নামাযরত অবস্থায়
দেখেছেন। (মুসলিম শরীফ)
৩০. হুজূর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বায়তুল
মুকাদ্দাসে সকল নবীগণের ইমাম হয়েছেন। (মুসলিম শরীফ)
৩১. হুজূর আকরম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কতেক
জিন্সমূহেরও ইমামতি করেছেন। (মুসলিম শরীফ)
৩২. মানুষের ন্যায় জিনেরাও প্রিয় রসূল সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম‘র দরবারে ইসলাম গ্রহণের জন্য
আগমন করতেন। (আবু নাঈম, খাসায়েসে কুবরা)
৩৩. প্রিয় রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম’র যুগ
সর্বকালের সর্বযুগের চেয়ে সর্বশ্রেষ্ঠ। (মুসলিম শরীফ)
৩৪. প্রিয় নবীর গৃহ মোবারক এবং মিম্বর শরীফের
মাঝখানের অংশ জান্নাতের টুকরা। (বুখারী শরীফ)
৩৫. প্রিয় রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
মদীনা তৈয়্যবায় মৃত্যু
বরণকারীদেরকে বিশেষভাবে শাফায়াত করবেন।
(তিরমিযী শরীফ)
৩৬. রওজা শরীফের যিয়ারতকারীদের জন্য শাফায়াত
করা ওয়াজিব হয়ে যায়। (বায়হাকী)
৩৭. প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যা সত্তর হাজার ফেরেশ্তা দরূদ
সালাম পাঠের জন্য রওজা শরীফে হাজিরা দেন। (দারমী ও
মিশকাত শরীফ)
৩৮.স্বপ্নযোগে প্রিয় রসূলের সাক্ষাৎলাভ করা সত্য।
কেননা, শয়তান তাঁর আকৃতি ধারণ করতে পারেনা।
(বুখারী শরীফ)
৩৯. হুজূর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম‘র মিরাজ
স্বশরীরে হয়েছিল। (বুখারী ও মুসলিম শরীফ)
৪০. প্রিয় রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম‘র মত
কাউকে সৃষ্টি করা হয়নি, হবেওনা। (বুখারী শরীফ)
৪১. প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম’র পবিত্র
দেহ মোবারকের ছাঁয়া ছিলনা। (যুরকানী ও
খাসায়েসে কুবরা)
৪২. আরশ, আসমান ও বেহেশ্তের
প্রতিটি বস্তুতে প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম’র নাম মোবারক লিপিবদ্ধ রয়েছে।
(খাসায়েসে কুবরা)
৪৩. নবীজির মাতা-পিতাকে জীবিত
করা হয়েছে এবং তাঁরা উভয়ই প্রিয় রসূলের উপর ঈমান
এনেছেন। (খাসায়েসে)
৪৪. প্রিয় রসূলের পূর্ব পুরুষদের কেউ মুশরিক
বা মূর্তি পূজারী ছিলেন্ না। (তিবরানী ও
খাসায়েসে কুবরা)
৪৫. প্রিয় রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম’র নাম
মোবারক শুনে দরূদ শরীফ পাঠ করা আবশ্যক।
(খাসায়েসে কুবরা)
৪৬. আযানে প্রিয়নবীর নাম শ্রবন করে পাঠকারী ও
বৃদ্ধাঙ্গুলী চুম্বনকারীর জন্য রসূলে আকরম সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাগফিরাতের সুসংবাদ দিয়েছেন।
(মাসনাদুল ফিরদাউস, রূহুল বায়ান)
৪৭. প্রিয় রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম’র উপর
দরূদ পাঠের কারণে দোয়া দ্রুত কবুল হয়। (তিরমিযী)
৪৮. প্রিয় রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম‘র
হাদীস শরীফ পাঠ করা ইবাদত। (খাসায়েসে কুবরা)
৪৯. রসূলে করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম’র ঘাম
মোবারক মিশকের চেয়েও অধিক সুগন্ধিময়। (আবু নাঈম,
যুরকানী ও খাসায়েসে কুবরা)
৫০. হুজূর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কখনো হাই
তোলেননি, কখনো তাঁর স্বপ্নদোষ হয়নি।
(মাওয়াহেবে লাদুনিয়া)
৫১. প্রিয়নবীর রক্ত মোবারক, পায়খানা, প্রশ্রাব উম্মতের
জন্য পূতঃ পবিত্র। (আবু নাঈম,মাওয়াহেবে লাদুনিয়া)
৫২. প্রিয় রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম’র
প্রশ্রাব পানে রোগসমূহ দুরীভূত হয়েছে। (হাকেম,
দারে কুতনী, আবু নাঈম)
৫৩. প্রিয় রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম’র দেহ
মোবারকে কোন সময় মশা-মাছি বসেনি। (কিতাবুস্ শিফা,
মাওয়াহেবে লুদুনিয়া, খাসায়েসে কুবরা)
৫৪. প্রিয় রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন
কোন প্রাণীর উপর সাওয়ার হতেন, তখন উক্ত প্রাণী প্রশ্রাব
করতোনা। (খাসায়েসে কুবরা)
৫৫. হুজূর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম’র
বিচ্ছেদে খেজুর বৃক্ষ ক্রন্ধন করেছেন। (বুখারী শরীফ)
৫৬. পশুপাখি ও প্রাণীজগৎকে প্রিয় রসূল সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম’র অনুগত করে দেয়া হয়েছে।
(মিশকাত শরীফ)
৫৭. প্রাণীসমূহও প্রিয় রসূল সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম’র রিসালাতের সাক্ষ্য দিয়েছে।
(মিশকাত শরীফ)
৫৮. বৃক্ষরাজিও প্রিয়নবীর রিসালাতের সাক্ষ্য দিয়েছে।
(মিশকাত)
৫৯. প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম‘র জন্য
পাথরকে নরম করে দেয়া হয়েছে। (আবু নাঈম)
৬০. পাহাড় ও বৃক্ষরাজি প্রিয় রসূল সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম’র দরবারে আস্সালামু
আলাইকা ইয়া রসূলাল্লাহ্ বলতো। (তিরমিযী)
৬১. প্রাণীরাও প্রিয় রসূল সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম’র কাছে সঙ্কটমুক্তির জন্য
প্রার্থনা করতো। (মিশকাত শরীফ)
৬২. হুদায়বিয়ার শুকনো কুপ প্রিয়নবীর মুখের থুথু মোবারকের
বরকতে প্রবাহিত হয়েছে। (বুখারী শরীফ)
৬৩. সমস্ত সৃষ্টির করুণার আধার রসূলে আকরম সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম’র বরকতে নিতান্ত স্বল্প খাবার এক
হাজার ছাহাবাদের জন্য যথেষ্ট হয়েছে। (বুখারী ও মুসলিম)
৬৪. প্রিয় রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম‘র
পবিত্র থুথু মোবারকের বরকতে লবনাক্ত কুপের পানি সুস্বাদু
হয়েছে। (বুখারী)
৬৫. সরকারে দো‘আলম সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম’র পবিত্র হাত মোবারকে পাথরও
তাসবীহ্ পাঠ করেছে। (আবূ নাঈম, খাসায়েসে কুবরা)
৬৬. সরকারে কায়েনাতের বরকতে দুর্বল প্রাণীও
দ্রুতগতি সম্পন্ন হয়েছে। (বুখারী শরীফ)
৬৭. ওহুদ পাহাড় ও হেরা পর্বত কাঁপছিল, প্রিয় রসূলের
নির্দেশে তা স্থির হয়েছে। (বুখারী শরীফ)
৬৮. প্রিয় রসূলের আঙ্গুলি মোবারক থেকে পানির
ঝর্ণাধারা প্রবাহিত হয়েছে। (বুখারী ও মুসলিম শরীফ)
৬৯ প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম‘র দোয়ায়
অস্তমিত সূর্য ঊদিত হয়েছে। (কিতাবুস্ শিফা, যুরকানী)
৭০. প্রিয় রসূলের দোয়ার বরকতে সূর্য একস্থানে স্থির ছিল।
(তিবরানী, শিফা)
৭১. প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম’র
আঙ্গুলের ইশারায় চন্দ্র দ্বিখন্ডিত হয়েছে। (বুখারী শরীফ)
৭২. হুজূর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম’কে আল্লাহ্
স্বীয় দর্শন দান করেছেন। (মসনদে আহমদ)
৭৩. হুজূর আকরম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
আসমান ও জমিনের সব কথা জানতেন। (মিশকাত শরীফ)
৭৪. প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
ছাহাবায়ে কেরামকে পূর্বাপর সবকিছুর সংবাদ দিয়েছেন।
(মুসলিম)
৭৫. অদৃশ্যের সংবাদদাতা নবী করীম সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম’র সকল ভবিষ্যৎবাণী পূর্ণ হয়েছে।
(বুখারী)
৭৬. প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সৃষ্টির
সূচনা থেকে জান্নাতীদের জান্নাতে জাহান্নামীদের
জাহান্নামে প্রবেশ করাসহ সকল
অবস্থা বর্ণনা করেছেন। (বুখারী শরীফ)
৭৭. সকল নবীর মতো প্রিয় রসূল সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম’ও রওজা মোবারকে জিন্দা আছেন।
(ইবনে মাজাহ্ ও বায়হাকী)
৭৮. প্রিয় রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বীয়
রওজা মোবারকে আযান ও ইকামত সহকারে নামায আদায়
করে থাকেন। (দারমী ও মিশকাত শরীফ)
৭৯. প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম’র
দরবারে উম্মতের আমলনামাসমূহ পেশ করা হয়।
(মাওয়াহেবে লুদুনিয়া)
৮০. প্রিয় রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
উম্মতদের অন্তরের অবস্থাদিও অবগত আছেন।
(বুখারী শরীফ)
৮১. প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
মদীনা তৈয়্যবা থেকে হাউজে কাউসারকে অবলোকন
করছেন। (বুখারী)
৮২. প্রিয় রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঐ সব
কথা শুনতে পান, যা অন্য লোকেরা শুনতে পারেনা।
(তিরমিযী)
৮৩. প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দরূদ
শরীফ পাঠকারীদের দরূদ শুনতে পান।(তিবরানী, জালাউল
ইফহাম)
৮৪. প্রিয় রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
প্রেমিকদের দরূদ শরীফ বিশেষ মনযোগ সহকারে শ্রবণ
করেন। (দালাইলুল খয়রাত)
৮৫. হুজূর আকরম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সকলের
সালামের উত্তর দিয়ে থাকেন। (মসনদে আহমাদ, আবু দাঊদ)
৮৬. রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ওইসব
কিছুও দেখতে পান, যা অন্য লোকেরা দেখতে পারে না।
(তিরমিযী শরীফ)
৮৭. প্রিয় রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পশ্চাৎ
দিকেও সামনের মত দেখতে পেতেন। (বুখারী শরীফ)
৮৮. হুজূর আকরম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতের
অন্ধকার ও দিনের আলোতে সমানভাবে দেখতেন।
(বায়হাকী শরীফ)
৮৯. রসূলে করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম‘র
চক্ষুদ্বয় নিদ্রা যেত, কিন্তু অন্তর মোবারক জাগ্রত থাকত।
(বুখারী)
৯০. সরকারে দো‘আলম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
সমগ্র সৃষ্টিজগতকে হাতের তালুর ন্যায় অবলোকন করতেন।
(তিবরানী, আবু নাঈম)

হুযুরে পাক সল্লল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পেশাব মোবারক পান করে জান্নাতি

Standard

সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অসীম ফজিলত মুবারক :
উনার নূরুশ শিফা বা (পেশাব) মুবারক পুতঃপবিত্র ,যা পানে জান্নাত
নছীব হয় –
ﻋﻦ ﺣﻜﻴﻤﺖ ﺑﻨﺖ ﺍﻣﻴﻤﺔ ﺑﻨﺖ ﺩﻗﻴﻘﺔ ﻋﻦ
ﺍﻣﻬﺎ ﺍﻧﻬﺎ ﻗﺎﻟﺖ ﻛﺎﻥ ﺍﻟﻨﺒﻲ ﺻﻠﻲ ﺍﻟﻠﻪ
ﻋﻠﻴﻪ ﻭ ﺳﻠﻢ ﻳﺒﻮﻝ ﻓﻲ ﻗﺪﺡ ﻋﻴﺪﺍﻥ ﺛﻢ
ﻳﺮﻓﻊ ﺗﺤﺖ ﺳﺮﻳﺮﻩ ﻓﺒﺎﻝ ﻓﻴﻪ ﺛﻢ ﺟﺎﺀ
ﻓﺎﺭﺍﺩﻩ ﻓﺎﺫﺍ ﺍﻟﻘﺪﺡ ﻟﻴﺲ ﻓﻴﻪ ﺷﻴﺊ ﻓﻘﺎﻝ
ﻻﻣﺮﺃﺓ ﻳﻘﺎﻝ ﻟﻬﺎ ﺑﺮﻛﺔ ﻛﺎﻧﺖ ﺗﺨﺪﻡ ﺍﻡ
ﺣﺒﻴﺒﺔ ﺟﺎﺀﺕ ﺑﻬﺎ ﻣﻦ ﺍﺭﺽ ﺍﻟﺤﺒﺸﺔ ﺍﻳﻦ
ﺍﻟﺒﻮﻝ ﺍﻟﺬﻱ ﻛﺎﻥ ﻓﻲ ﺍﻟﻘﺪﺡ ؟ ﻗﺎﻟﺖ
ﺷﺮﺑﺘﻪ ﻓﻘﺎﻝ ﻟﻘﺪ ﺍﺣﺘﻈﺮﺕ ﻣﻦ ﺍﻟﻨﺎﺭ
ﺑﺤﻈﺎﺭ
অর্থ : হযরত
হাকীমা বিনতে আমীমা বিনতে দাক্বীক্বা মাতা থেকে বর্ননা করেছেন।
নিশ্চয়ই
তিনি বলেছেন, একদা হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
একটি পাত্রে পবিত্র নূরুশ শিফা (পেশাব) মুবারক করলেন
এবং তা খাট মুবারকের নিচে রেখে দিলেন। এরপর তার
একটি ব্যবস্থা করার ইচ্ছা করলে এসে দেখলেন পাত্রের
মধ্যে কিছু নেই। তখন
তিনি বারাকা নামের এক মহিলা, যিনি হাবশা হতে উম্মু
হাবীবা আলাইহাস সালাম উনার খাদিমা হিসাবে এসেছিলেন,
তাঁকে বললেন, পাত্রের মধ্যে যে নূরুশ শিফা মুবারক
ছিলো তা কোথায় গেল ?
উত্তরে তিনি বললেন, আমি উহা পান করে ফেলেছি। তখন
হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, অবশ্যই
তুমি তোমার নিজেকে জাহান্নাম থেকে নিরাপদ রাখলে !”
দলীল –
√ ত্ববরানী ফিল মু”জামিল কবীর ২৪ খন্ড ১৮৯ পৃষ্ঠা !
√ ত্ববরানী ফিল মু’জামিল কবীর ২৫ খন্ড ৮৯ পৃষ্ঠা !
√ আল মুসতাদরেক লিল হাকিম ১ম খন্ড ২৭২ পৃষ্ঠা – ৫৯৩
নং হাদীস !
√ আল মুসতাদরেক লিল হাকিম ৪র্থ খন্ড ৭১ পৃষ্ঠা – ৬৯১২
নং হাদীস !
√ ইবনু হিব্বান ১৪১৩ নং হাদীস !
√ দালাইলুন নবুওয়াত ২য় খন্ড ৬৫৪ পৃষ্ঠা !
√ খাছায়েছুল কুবরা ১ম খন্ড ১২২
পৃষ্ঠা !
√ মাদারেজুন নবুওয়াত ১ম অধ্যায়।
√ মুসনাদে আব্দুর রাজ্জাক !
√ আদদারু কুতনী
√ আবু ইয়ালা !
সুবহানাল্লাহ্ !!