ওহাবীদের কুফুরী আকিদা!

Standard

মৌং আশ্রাফ আলী থানভীসহ দেওবন্দীদের আক্বীদা ও শিক্ষা হচ্ছে: ১. “আল্লাহ্ মিথ্যা বলতে পারেন।” [ফাতাওয়া-ই রশীদিয়া, ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা-৯, কৃত মৌং রশীদ আহমদ গাঙ্গূহী দেওবন্দী] ২. “আল্লাহ্ আগে জানেন না বান্দা কি কাজ করবে। বান্দা যখন সম্পন্ন করে নেয় তখনই আল্লাহ্ তা জানতে পারেন।” [তাফসীর-ই বুলগাতুল হায়রান, পৃষ্ঠা ১৫৭-৫৮, কৃত মৌং হুসাইন আলী ওয়াঁভচরান ওয়ালা দেওবন্দী] ৩. “শয়তান ও মালাকুল মাওত-এর জ্ঞান হুযূর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর চেয়ে বেশি।” [বারাহীন-ই ক্বাতি‘আহ্, পৃষ্ঠা ৫১, কৃত খলীল আহমদ আম্বেটভী দেওবন্দী] ৪. “আল্লাহ্র নবীর নিকট নিজের পরিণতি এবং দেয়ালের পেছনের জ্ঞানও নেই।” [বারাহীন-ই ক্বাতি‘আহ্, পৃষ্ঠা ৫১, কৃত খলীল আহমদ আম্বেটভী দেওবন্দী] ৫. “হুযূর আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আল্লাহ্ তা‘আলা তেমনি জ্ঞান দান করেছেন, যেমন জ্ঞান জানোয়ার, পাগল এবং শিশুদের নিকটও রয়েছে।” [হিফযুল ঈমান, পৃষ্ঠা ৭, কৃত মৌং আশ্রাফ আলী থানভী দেওবন্দী] ৬. “নামাযে হুযূর আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রতি শুধু খেয়াল যাওয়া গরু-গাধার খেয়ালে ডুবে যাওয়া অপেক্ষাও মন্দতর।” [সেরাতে মুস্তাক্বীম, পৃষ্ঠা ৮৬, কৃত মৌং ইসমাঈল দেহলভী ওহাবী] ৭. “‘রাহমাতুল্লিল ‘আলামীন’ (সমস্ত বিশ্বের জন্য রহমত) রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খাস উপাধি নয়। হুযূর আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছাড়া অন্যান্য বুযুর্গকেও ‘রাহ্মাতুল্লিল ‘আলামীন’ বলা যেতে পারে।” [ফাতাওয়া-ই রশীদিয়া, ২য় খণ্ড, পৃষ্ঠা-১২, কৃত মৌং রশীদ আহমদ গাঙ্গূহী দেওবন্দী] ৮. “‘খাতামুন্নবিয়্যীন’ অর্থ ‘আখেরী বা শেষনবী’ বুঝে নেওয়া সাধারণ লোকদের খেয়াল মাত্র। জ্ঞানী লোকদের মতে এ অর্থ বিশুদ্ধ নয়। হুযূর আক্রামের যুগের পরও যদি কোন নবী পয়দা হয়, তবে হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শেষ নবী হওয়ায় কোন ক্ষতি হবে না।” [তাহযীরুন্নাস, পৃষ্ঠা ৩ ও ২৫, কৃত দারুল উলূম দেওবন্দ মাদরাসার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা মৌং কাসেম নানুতভী] ৯. “হুযূর আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দেওবন্দের আলেমদের সাথে সম্পর্কের সুবাদে উর্দূ শিখতে পেরেছেন।” [বারাহীন-ই ক্বাতি‘আহ্, পৃষ্ঠা ২৬, কৃত মৌং খলীল আহমদ আম্বেটভী দেওবন্দী] ১০. “নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সম্মান শুধু বড় ভাইয়ের মতই করা চাই।” [তাক্ব্ভিয়াতুল ঈমান, পৃষ্ঠা ৫৮, কৃত মৌং ইসমাঈল দেহলভী ওহাবী] ১১. “আল্লাহ্ তা‘আলা ইচ্ছা করলে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সমকক্ষ কোটি কোটি পয়দা করতে পারেন।” [তাক্ব্ভিয়াতুল ঈমান, পৃষ্ঠা ১৬, কৃত মৌং ইসমাঈল দেহলভী ওহাবী] ১২. “হুযূর আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মৃত্যুবরণ করে মাটিতে মিশে গেছেন।” [তাক্ব্ভিয়াতুল ঈমান, পৃষ্ঠা ৫৯, কৃত মৌং ইসমাঈল দেহলভী] ১৩. “নবী-রসূল সবাই অকেজো।” [তাক্ব্ভিয়াতুল ঈমান, পৃষ্ঠা ২৯, কৃত মৌং ইসমাঈল দেহলভী ওহাবী] ১৪. “নবী প্রতিটি মিথ্যা থেকে পবিত্র ও মা’সূম হওয়া বাঞ্ছনীয় নয়।” [তাস্ফিয়াতুল্ আক্বাইদ, পৃষ্ঠা ২৫, কৃত মৌং কাসেম নানুতভী] ১৫. “নবীর প্রশংসা শুধু মানুষের মতই কর; বরং তা অপেক্ষাও সংক্ষিপ্ত কর।” [তাক্ব্ভিয়াতুল ঈমান, পৃষ্ঠা ৬১, কৃত মৌং ইসমাঈল দেহলভী] ১৬. “বড় অর্থাৎ নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আর ছোট অর্থাৎ অন্যসব বান্দা বেখবর ও অজ্ঞ।” [তাক্ব্ভিয়াতুল ঈমান, পৃষ্ঠা ৩, কৃত মৌং ইসমাঈল দেহলভী ওহাবী] ১৭. “বড় মাখলূক অর্থাৎ নবী, আর ছোট মাখলূক অর্থাৎ অন্যসব বান্দা আল্লাহর শান বা মর্যাদার সামনে চামার অপেক্ষাও নিকৃষ্ট।” [তাক্ব্ভিয়াতুল ঈমান, পৃষ্ঠা ১৪, কৃত মৌং ইসমাঈল দেহলভী ওহাবী] ১৮. “নবীকে ‘তাগূত’ (শয়তান) বলা জায়েয।” [তাফসীর-ই বুলগাতুল হায়রান, পৃষ্ঠা ৪৩, কৃত. মৌং হুসাইন আলী ওয়াঁভচরান ওয়ালা] ১৯. “নবীর মর্যাদা উম্মতের মধ্যে গ্রামের চৌধুরী ও জমিদারের মত।” [তাক্ব্ভিয়াতুল ঈমান, পৃষ্ঠা ৬১, কৃত মৌং ইসমাঈল দেহলভী ওহাবী] ২০. “যার নাম মুহাম্মদ কিংবা আলী তিনি কোন কিছুর ইখতিয়ার রাখেন না। নবী ও ওলী কিছুই করতে পারেন না।” [তাক্ব্ভিয়াতুল ঈমান, পৃষ্ঠা ৪১, কৃত মৌং ইসমাঈল দেহলভী ওহাবী] ২১. “উম্মত বাহ্যিকভাবে আমলের মধ্যে নবী থেকেও বেড়ে যায়।” [তাহযীরুন্নাস, পৃষ্ঠা ৫, কৃত মৌং কাসেম নানুতভী] ২২. “দেওবন্দী মোল্লা হুযূর আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে পুলসেরাত হতে পতিত হওয়া থেকে রক্ষা করেছেন।” [তাফসীর-ই বুলগাতুল হায়রান, পৃষ্ঠা ৮, মৌং হুসাইন আলী] ২৩. “‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ্ আশরাফ আলী রসূলুল্লাহ্’ আর ‘আল্লাহুম্মা সল্লি ‘আলা সায়্যিদিনা ওয়া নবীয়্যিনা আশরাফ আলী’ বলার মধ্যে সান্ত্বনা রয়েছে, কোন ক্ষতি নেই।” [রিসালা-ই ইমদাদ, পৃষ্ঠা ৩৫, সফর – ১৩৩৬ হিজরি সংখ্যা] ২৪. “‘মীলাদুন্নবী’ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উদ্যাপন করা তেমনি, যেমন হিন্দুরা তাদের কানাইয়্যার জন্মদিন পালন করে।” [বারাহীন-ই ক্বাতি‘আহ্, পৃষ্ঠা ১৪৮, ফাতওয়া-ই মীলাদ শরীফ, পৃষ্ঠা ৮] ২৫. “রসূল চাইলে কিছুই হয়না।” [তাক্ব্ভিয়াতুল ঈমান, পৃষ্ঠা ৫৬, কৃত মৌং ইসমাঈল দেহলভী ওহাবী] ২৬. “আল্লাহর সামনে সমস্ত নবী ও ওলী একটা নাপাক ফোঁটা অপেক্ষাও নগণ্য।” [তাক্ব্ভিয়াতুল ঈমান, পৃষ্ঠা ৫৬, কৃত মৌং ইসমাঈল দেহলভী ওহাবী] ২৭. “নবীকে নিজের ভাই বলা দুরস্ত।” [বারাহীন-ই ক্বাতি‘আহ্, পৃষ্ঠা ৩, কৃত মৌং খলীল আহমদ আম্বেটভী] ২৮. “নবী ও ওলীকে আল্লাহর সৃষ্টি ও বান্দা জেনেও উকিল এবং সুপারিশকারী মনে করে এমন মুসলমান সাহায্যের জন্য আহ্বানকারী ও নযর-নিয়াযকারী মুসলমান, আর কাফির আবূ জাহ্ল-শির্কের মধ্যে সমান।” [তাক্ব্ভিয়াতুল ঈমান, পৃষ্ঠা ৭-২৭, কৃত মৌং ইসমাঈল দেহলভী ওহাবী] ২৯. “‘দরূদ-ই তাজ’ অপছন্দনীয় এবং পাঠ করা নিষেধ।” [ফযাইলে দরূদ শরীফ, পৃষ্ঠা ৯২, ফাযাইলে আ’মাল তথা তাবলীগী নেসাব থেকে পৃথীকৃত] ৩০. মীলাদ শরীফ, মি’রাজ শরীফ, ওরস শরীফ, খতম শরীফ, চেহলামের ফাতিহাখানি এবং ঈসালে সাওয়াব- সবই নাজায়েয, ভুল প্রথা, বিদ’আত এবং কাফির ও হিন্দুদের প্রথা।” [ফাতাওয়া-ই রশীদিয়া, ২য় খণ্ড, পৃষ্ঠা ১৫০ এবং ৩য় খণ্ড, পৃষ্ঠা ৯৩-৯৪, কৃত প্রাগুক্ত] ৩১. “প্রসিদ্ধ কাক খাওয়া সাওয়াব।” [ফাতাওয়া-ই রশীদিয়া, ২য় খণ্ড, পৃষ্ঠা ১৩০, কৃত মৌং রশীদ আহমদ গাঙ্গূহী] ৩২. “হিন্দুদের হোলী-দেওয়ালীর প্রসাদ ইত্যাদি জায়েয।” [ফাতাওয়া-ই রশীদিয়া, ২য় খণ্ড, পৃষ্ঠা ১৩২, কৃত মৌং রশীদ আহমদ গাঙ্গূহী] ৩৩. “ভাঙ্গী-চামারের ঘরের রুটি ইত্যাদির মধ্যে কোন দোষ নেই, যদি পাক হয়।” [ফাতাওয়া-ই রশীদিয়া, ২য় খণ্ড, পৃষ্ঠা ১৩০, কৃত মৌং রশীদ আহমদ গাঙ্গূহী] ৩৪. “হিন্দুদের সুদী টাকায় উপার্জিত অর্থে কূপ বা নলকূপের পানি পান করা জায়েয।” [ফাতাওয়া-ই রশীদিয়া, ৩য় খণ্ড, পৃষ্ঠা ১১৩-১১৪, কৃত মৌং রশীদ আহমদ গাঙ্গূহী]

সৌদিআরবের সৌদ পরিবারের ইতিহাস!

Standard

সৌদীর আরবের সৌদ পরিবারের ইতিহাস:
১.- সৌদি পৃথিবীর একমাত্র মুসলিম দেশ যা কোনো ব্যক্তির নামে প্রতিষ্ঠিত। দিরিয়া নামক অঞ্চলের চাষা গোষ্ঠীরর প্রধান ছিল এই সৌদ। 
উচ্চাভিলাষী এই মরু দস্যু ১৭৪৪ ততকালীন আরবের ধর্মীয় নেতা ওহাব এর সাথে মিলে চুক্তি করে গঠন করে “দিরিয়া আমিরাত”।
২.- “দিরিয়া আমিরাত”ই হচ্ছে বিশ্বের প্রথম সৌদি রাজ্য। উসমানী খেলাফত ধংশ করতে সৌদ তার ছেলের সাথে ওহাবের মেয়ের বিয়ে দেয় এবং এভাবে সৌদ দস্যু আর ওহাবের মতবাদের মিলন হয়।

কিছুদিন পর সৌদ মারা গেলে তার ছেলে “আজিজ” দিরিয়ার ক্ষমতায় অধিষ্ট হয়।
৩.- উসমানীয় খিলাফত ধংশে এই সৌদ বংশের অবদান:
ক্ষমতায় বসার পর ব্রিটিশদের সাথে হাত মিলিয়ে তুর্কি দের সাথে যুদ্ধ চালাতে থাকে এই দস্যু আজিজ সৌদ। শ্বশুর ওহাবের মতবাদ নিয়ে শির্ক বিদাত ধংশের নামে ব্রিটিশ দের সাথে নিয়ে উসমানীয় খিলাফত ধংশে নামে  এই আজিজ।
৪.- ইসলামী ঐতিহ্য ধংশে সৌদ:
উসমানী খিলাফত থেকে ১৮০২ সালে ইরাক দখল করে। এরপর একে একে এরা বর্বর দস্যুরা হযরত আলি (রাঃ) এবং হযরত হুসেন (রাঃ) মাজার ধংশ করে দেয়।

এর প্রেক্ষিতে পরবর্তী বছর একজন শিয়া মুসলিম তাকে হত্যা করে।
তারপর ১৮০৪ সালে মক্কা এবং পরবর্তী বছর মদীনা তুর্কিদের কাছ থেকে নিজেদের আয়তায় আনে।
দুই পবিত্র নগরী দখল করে তারা ব্যাপক ধ্বংসলীলা চালায়। তারা মক্কা-মদিনার বহু মুসলিমকে হত্যা করে। সবই করা হয় সেই শিরক-বিদাত উচ্ছেদের নামে! ওয়াহাবী মতবাদের ধর্মীয় শুদ্ধি অভিযানের অজুহাতে তারা বহু সাহাবীর কবরস্থান ধ্বংস করে। এমনকি খোদ মহানবী (সা.)-এর পবিত্র কবরে ছায়াদানকারী মিম্বরগুলোও এরা ভেঙে ফেলে! মহানবী (সা.)-এর পবিত্র রওজাকে তুর্কি খলিফারা যেসব মণি-মুক্তায় সাজিয়েছিলেন, শুদ্ধি অভিযানের নামে সেসবও তুলে ফেলে সৌদ-এর বাহিনী। এসবই চলে ব্রিটিশদের অস্ত্র ও অর্থ সহায়তা নিয়ে।
৫.- প্রথম সৌদ আমিরাতের পতনঃ
১৮০৮ সালে উসমানীয় খলিফা দ্বিতীয়, “সুলতান মাহমুদ” তাঁর বিশাল সেনাদল পাঠান। 
ব্রিটিশ বাহিনী এবার তাদের বাঁচাতে পারেনি। ১৮১৮তুর্কিদের কাছে আত্মসমর্পণ  করে সৌদের ছেলে।
আত্মসমর্পণ করা সৌদের ছেলে আবদুল্লাহ বিন সৌদকে বন্দী করে ইস্তাম্বুলে নিয়ে যাওয়া হয়।
দুই পবিত্র নগরী ও বহু মসজিদ ধ্বংসের শাস্তি হিসেবে খলিফা দ্বিতীয়  মাহমুদ-এর নির্দেশে আবদুল্লাহ বিন সৌদ ও তার দুই ছেলেকে ইস্তাম্বুলে প্রকাশ্যে শিরচ্ছেদ করা হয়। এভাবেই প্রথম সৌদি আমিরাত (১৭৪৪-১৮১৮)-এর পতন হয় ও পবিত্র মক্কা-মদিনাসহ আরবে উসমানিয়া খিলাফতের শাসনকর্তৃত্ব ফিরে আসে।
৬.- দ্বিতীয় সৌদের উত্থান, পতনঃ
“সুলতান মাহমদ” এর হাতে প্রথম সৌদ বংশের পরাজয়ের পর, ১৮১৮ সালে সৌদ আমিরাতের শেষ আমীর “আবদুল্লাহ তুর্কি” নামের এক সৌদ মরুভূমিততে পালিয়ে যায় এবং বনু তামিম গোত্রে আশ্রয় নেয়।

পরে ১৮২১ সালে প্রকাশ্য এসে বিদ্রোহের ঘোষণা দেয়।
১৮২৪ সালে তুর্কি বিন আবদুল্লাহ উসমানিয়াদের নিয়োজিত মিশরীয়দের হটিয়ে দিরিয়া ও রিয়াদ দখল করে নেয়।

 রিয়াদকে রাজধানী করে গঠিত এই “নজদ আমিরাত” ইতিহাসে দ্বিতীয় সৌদি রাজ্য নামে পরিচিত।
 দ্বিতীয় সৌদি রাজ্যটি অবশ্য খুব কম এলাকাই দখলে নিতে পেরেছিল।

এবং অল্পসময়ে পতন ঘটে।
৭.- তৃতীয় সৌদ রাষ্ট্রঃ
নজদ আমিরাতের প্রধানকে “ইমাম” বলা হত এবং ওয়াহাবী মতাবলম্বীরাই ধর্মীয় বিষয়ে কর্তৃত্বশীল ছিল। তবে এবার সৌদ পরিবারে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব শুরু হয়। কথিত ইমাম তুর্কি বিন আবদুল্লাহকে তাঁর এক জ্ঞাতি ভাই মুশারি বিন আবদুর রহমান বিদ্রোহ করে ১৮৩৪ সালে হত্যা করে। তবে ক্ষমতা পায়নি মুশারি। তুর্কির ছেলে ফয়সাল এরপর নজদ আমিরাতের ইমাম হয়।
সৌদ পরিবারের অন্তর্দ্বন্দ্ব চলতেই থাকে। অবশেষে ১৮৯১ সালে মুলায়দার যুদ্ধে উসমানিয়াদের অনুগত রাশিদী বাহিনীর হাতে দ্বিতীয় সৌদি আমিরাতের পতন ঘটে। সৌদিদের শেষ ইমাম আবদুর রহমান বিন ফয়সাল তার সাঙ্গোপাঙ্গসহ পালিয়ে যায়। বিশাল বালুকাময় রুব আল খালি মরুভূমি পাড়ি দিয়ে আবদুর রহমান তার পুত্র আবদুল আজিজকে [ পরবর্তী গাদ্দার] নিয়ে দক্ষিণপূর্বে মুররা বেদুইন গোত্রে গিয়ে পালায়। সেখান থেকে তারা বাহরাইনের রাজপরিবারের কাছে গিয়ে কিছুদিন আশ্রয় নেয়। তার পর ১৮৯৩ সালে আবদুর রহমান ও তার পুত্র শেষ পর্যন্ত ব্রিটিশ দালাল কুয়েতি আল-সাবাহ রাজপরিবারের আশ্রয় পায়।
কুয়েতি রাজপরিবারের সহায়তায় সৌদিরা উসমানিয়া খিলাফতের কর্তৃত্বাধীন নজদে একের পর এক চোরাগুপ্তা হামলা চালাতে থাকে। ওয়াহাবী মতবাদের আলোকে পরিশুদ্ধ ইসলাম প্রতিষ্ঠার নামে উসমানিয়া খিলাফতের বিরুদ্ধে এসব হামলা চলতে থাকে। কিন্তু এসব হামলায় সৌদিরা তেমন কোনো বড় সাফল্য পায়নি। ১৯০১ সালে সারিফের যুদ্ধে পরাজয়ের ফলে আবদুর রহমান তার হারানো রাজ্য পুনরুদ্ধারের সব উদ্যম হারায়।
১৮৯৯ সালের জানুয়ারিতে কুয়েতের আমির মুবারক আল সাবাহ ব্রিটেনের সাথে একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি করে কুয়েতকে ব্রিটেনের করদরাজ্য (Protectorate)-এ পরিণত করেন। তুরস্কের উসমানিয়া খিলাফতের প্রভাবের বিরুদ্ধেই কুয়েত এই চুক্তি করে ব্রিটেনের সাথে।
সৌদ পরিবারের লড়াইটিও ছিল উসমানিয়া খিলাফতের বিরুদ্ধেই। তাই ১৯০১ সালে সারিফের যুদ্ধে পরাজয়ের ফলে পিতা আবদুর রহমান হতোদ্যম হলেও পুত্র আবদুল আজিজ ইবনে সৌদ আবারও আশার আলো দেখে। আবদুল আজিজ ইবনে সৌদ ১৯০১ সালের শেষের দিকে কুয়েতের আমির মুবারকের কাছে উসমানিয়াদের নিয়ন্ত্রিত রিয়াদ আক্রমণের জন্য সাহায্য চায়। ব্রিটিশ মদদপুষ্ট কুয়েত সানন্দে ইবনে সৌদকে ঘোড়া ও অস্ত্র সরবরাহ করে। ১৯০২ সালের ১৩ জানুয়ারি ইবনে সৌদ সৈন্যসহ রিয়াদের মাসমাক দুর্গ আক্রমণ করে। মাসমাকের উসমানিয়া অনুগত রাশিদী প্রশাসক ইবনে আজলানকে হত্যা করে সৌদিরা। ইবনে সৌদ যুদ্ধজয় শেষে ইবনে আজলানের ছিন্নমস্তকটি নিয়ে দুর্গশীর্ষে আসে এবং নিচে সমবেত উদ্বিগ্ন রিয়াদবাসীর দিকে ছুঁড়ে মারে।
আবদুল আজিজ ইবনে সৌদের রিয়াদ আমিরাত প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ইতিহাসে তৃতীয় সৌদি রাজ্যের সূচনা হয়।
৮:-অতঃপর…………..
এর পর সৌদিরা একে একে রাশিদীদের নজদের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে হটিয়ে দিতে থাকে। ১৯০৭ সালের মধ্যে সৌদিরা নজদের বিরাট এলাকা নিজেদের দখলে নিয়ে নেয়।

১৯০৯ সালে ব্রিটিশরা সামরিক অফিসার William Henry Irvine Shakespear-কে কুয়েতে নিয়োগ দিলে সৌদ পরিবার আরো শক্তিশালী হয়ে উঠে। শেক্সপিয়ারকে ইবনে সৌদ সামরিক উপদেষ্টা বানিয়ে নেয়। ১৯১৩ সালে সৌদিরা উসমানিয়া সৈন্যদের কাছ থেকে পূর্ব আরবের গুরুত্বপূর্ণ মরুদ্যান হাসা শহর দখল করে নেয়। এর পর পার্শ্ববর্তী কাতিফ শহরও সৌদিরা দখলে নেয়।
পরের বছর ১৯১৪ সালে বিশ্বজুড়ে ১ম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়। ব্রিটেন-ফ্রান্স-রাশিয়ার মিত্রশক্তি জার্মানি-উসমানিয়া খিলাফতের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হয়।রিয়াদে ব্রিটিশরা শেক্সপিয়ারের মাধ্যমে সৌদিদের সাথে উসমানিয়া অনুগত রাশিদীদের যুদ্ধ লাগায়।

https://en.wikipedia.org/wiki/Battle_of_Jarrab
১৯১৫ সালের জানুয়ারিতে সংঘটিত এই যুদ্ধে রাশিদীরা জয়ী হয় ও শেক্সপিয়ারকে হত্যা করে। রাশিদীরা শেক্সপিয়ারের শিরশ্ছেদ করে ও তার হেলমেট উসমানিয়াদের কাছে হস্তান্তর করে। উসমানিয়ারা সৌদিদের সাথে ব্রিটিশদের সম্পর্কের প্রমাণস্বরূপ শেক্সপিয়ারের হেলমেট মদিনার প্রধান ফটকে ঝুলিয়ে দেখায়।
শেক্সপিয়ারকে হারিয়ে বিপর্যস্ত ইবনে সৌদ ১৯১৫ সালের ডিসেম্বরে ব্রিটিশদের সাথে দারিন চুক্তি স্বাক্ষর করে। ব্রিটিশদের পক্ষে ব্রিটেনের মধ্যপ্রাচ্য প্রধান মেজর জেনারেল স্যার পার্সি কক্স ওই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। চুক্তি মোতাবেক সৌদি রাজত্ব ব্রিটিশদের করদরাজ্য (Protectorate)-এ পরিণত হয়।

https://en.wikipedia.org/wiki/Treaty_of_Darin
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ব্রিটেন-ফ্রান্স-রাশিয়ার মিত্রশক্তির বিরুদ্ধে জার্মান-উসমানিয়া খিলাফতের দুর্বল অবস্থা ও আল-সৌদ পরিবারের সাথে ব্রিটিশদের সখ্য দেখে চিন্তিত হয়ে ওঠেন মক্কার উসমানিয়া সমর্থিত শাসক হুসাইন বিন আলী।
১৯১৫ সালের ১৪ জুলাই থেকে হুসাইন মিশরের ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত স্যার হেনরি ম্যাকম্যাহনের গোপনে পত্র যোগাযোগ শুরু করেন। ৩০ জানুয়ারি ১৯১৬ পর্যন্ত এই পত্র আদান-প্রদান চলতে থাকে। উসমানিয়া খিলাফতের অন্তর্ভুক্ত বিশাল আরব ভূ-খণ্ডের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে তারা মতবিনিময় করে।

https://en.wikipedia.org/wiki/Hussein-McMahon_Correspondence
ব্রিটেন ও ফ্রান্সের মদদে মক্কার শাসক সেই হুসাইন বিন আলী উসমানিয়াদের বিরুদ্ধে আরব বিদ্রোহ তৈরি করে। ব্রিটিশ সামরিক অফিসার টি.ই. লরেন্সের প্রত্যক্ষ পরিচালনায় বিশ্বাসঘাতক হুসাইন মিডল-ইস্টার্ন ফ্রন্টে উসমানিয়াদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে শুরু করলে বহু উসমানিয়া সৈন্য বন্দী হয় ও অবশেষে উসমানিয়ারা ১ম বিশ্বযুদ্ধে পরাজিত হয়।
ব্রিটিশ সামরিক অফিসার টি.ই. লরেন্স – আরববিশ্বে আরব জাতীয়তাবাদের স্রষ্টা – হলিউডের বিখ্যাত “Lawrence of Arabia” (১৯৬২) মুভিটি একে নিয়েই নির্মিত ১৩০০ বছর পর মধ্যপ্রাচ্য মুসলিম খিলাফতের হাতছাড়া হয়ে যায়।

পুরস্কার হিসেবে ব্রিটিশরা ১ম বিশ্বযুদ্ধের পর হুসাইন বিন আলীর দ্বিতীয় ছেলে আব্দুল্লাহকে জর্ডানের রাজত্ব ও তৃতীয় ছেলে ফয়সালকে ইরাকের রাজত্ব দেয়। হুসাইনকে রাখা হয় হেজাজ (পবিত্র মক্কা-মদিনা ও তাবুক অঞ্চল)-এর শাসক হিসেবে।
এভাবে ১ম বিশ্বযুদ্ধ আল-সৌদ পরিবারকে কিছুটা বেকায়দায় ফেলে। কেননা ব্রিটিশদের পা-চাটার ক্ষেত্রে তাদের প্রতিপক্ষ হুসাইন পরিবার এগিয়ে যায় এবং যুদ্ধ শেষে হুসাইন ও তার দুই ছেলে মিলে তিন দেশের রাজত্ব পায়। তবে নজদ (রিয়াদ ও তদসংলগ্ন অঞ্চল)-এর শাসক সৌদিরাই থেকে যায়।

দারিন চুক্তির আওতায় আবদুল আজিজ ইবনে সৌদ ব্রিটিশদের কাছ থেকে বহু অস্ত্র ও মাসে ৫,০০০ পাউন্ড ভাতা (দালালির পুরস্কার) পেতে থাকে।
তথ্যসূত্র: Abdullah Mohammad Sindi, “The Direct Instruments of Western Control over the Arabs: The Shining Example of the House of Saud”
যুদ্ধের পর ব্রিটিশরা ইবনে সৌদকে ১ম বিশ্বযুদ্ধের উদ্বৃত্ত বিপুল গোলাবারুদ দিয়ে দেয়। ওই ব্রিটিশ অস্ত্র ও গোলাবারুদের সম্ভার নিয়ে সৌদিরা ক্রমধ্বংসমান উসমানিয়া খিলাফতের অনুগত রাশিদীদের ওপর দক্ষিণ-পশ্চিম আরব অঞ্চলে আক্রমণ শুরু করে। ১৯২০ থেকে ১৯২২ সাল পর্যন্ত লড়ে রাশিদীরা শেষ পর্যন্ত সৌদিদের হাতে পুরোপুরি পরাজিত হয়। ফলে আরবে আল-সৌদ পরিবার নিয়ন্ত্রিত ভূ-খণ্ডের পরিমাণ দ্বিগুণ হয়ে ওঠে। ইরাকে নিযুক্ত ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত Percy Cox-এর মধ্যস্থতায় ১৯২২ সালের ২ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত Uqair Protocol-এর আওতায় ওই বিশাল অঞ্চলে সৌদি রাজত্ব স্বীকৃতি লাভ করে।

http://en.wikipedia.org/wiki/Uqair_Protocol_of_1922
এ-সময় পর্যন্ত আবদুল আজিজ ইবনে সৌদ কখনোই ব্রিটিশ অনুগত হেজাজের শাসক হুসাইনের সাথে সংঘাতে জড়ায়নি।

১৯২৪ সালের ৩ মার্চ আরেক ব্রিটিশ দালাল মুস্তাফা কামাল পাশা তুরস্কে অফিসিয়ালি খিলাফত বিলুপ্ত করে। সারা বিশ্বের মুসলিমদের সাথে মক্কার হুসাইন বিন আলীও মহানবী (সা.) আমল থেকে ১৩০০ বছর পর্যন্ত চলমান মুসলিমদের রাষ্ট্র খিলাফতের পতনে ব্যথিত হন। পৃথিবী থেকে খিলাফত মুছে গেছে, এটা হুসাইনের চেতনায় আঘাত করে। ব্রিটিশদের ক্ষিপ্ত হওয়ার সম্ভাবনা সত্ত্বেও ৫ মার্চ হুসাইন নিজেকে মুসলিমদের খলিফা ঘোষণা করেন।
ব্যস, এ-সুযোগটিই কাজে লাগায় খিলাফতের দীর্ঘদিনের শত্রু আবদুল আজিজ ইবনে সৌদ। ব্রিটিশরা স্বাভাবিকভাবেই হুসাইনের নিজেকে খলিফা ঘোষণা করা মেনে নেয়নি এবং হেজাজের শাসক হিসেবে হুসাইনের ওপর থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করে নেয়।
আবদুল আজিজ ইবনে সৌদ কালবিলম্ব না করে হেজাজ আক্রমণ করে এবং ১৯২৫ সালের শেষ নাগাদ পুরো হেজাজ দখলে নিয়ে নেয়। ১৯২৬ সালের ৮ জানুয়ারি আবদুল আজিজ ইবনে সৌদ মক্কা-মদিনা-জেদ্দার গোত্রীয় নেতাদের সমর্থনে নিজেকে হেজাজের “সুলতান” ঘোষণা করে। ১৯২৭ সালের ২৭ জানুয়ারি ইবনে সৌদ আগের নজদ ও বর্তমান হেজাজ মিলিয়ে Kingdom of Nejd and Hejaz ঘোষণা করে। ৪ মাস পর সেই বছরের ২৭ মে জেদ্দা চুক্তির মাধ্যমে ব্রিটিশরা Kingdom of Nejd and Hejaz-কে স্বাধীন 

হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে।

http://en.wikipedia.org/wiki/Treaty_of_Jeddah_(1927)#1927
নতুন জেদ্দা চুক্তি, ১৯২৭-এর মাধ্যমে ব্রিটিশ-সৌদের “Protectorate” স্ট্যাটাসের দারিন চুক্তি, ১৯১৫-এর সমাপ্তি ঘটে।
পরবর্তী ৫ বছর আবদুল আজিজ ইবনে সৌদ তার দুই রাজত্বকে আলাদা রেখেই শাসন করে। অবশেষে ১৯৩২ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর ইবনে সৌদ তার দুই রাজত্বকে একত্রিত করে তার নিজের ও বংশের পদবি অনুসারে দেশের নাম “Kingdom of Saudi Arabia” (আরবি: ﺍﻟﻤﻤﻠﻜﺔ ﺍﻟﻌﺮﺑﻴﺔ ﺍﻟﺴﻌﻮﺩﻳﺔ al-Mamlakah al-‘Arabiyyah as-Su‘ūdiyyah) ঘোষণা করে।

এভাবেই ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদী শক্তির উসমানিয়া খিলাফতবিরোধী নীতির প্রকাশ্য সমর্থক হিসেবে, পদে পদে ব্রিটিশদের মদদ নিয়ে, দালাল আল-সৌদ পরিবার ১৯৩২ সাল থেকে Kingdom of Saudi Arabia নামে মুসলিমদের পবিত্র ভূমি দখলে রেখে শাসন করে যাচ্ছে।

লা-মাযহাবীদের শায়েখুল ইসলাম ইবনু তাইমিয়্যাহ এর মৃত্যুঃ শিরক বেদ’আতের আড্ডা

Standard

নুরোধঃ
শেয়ার করবেন পোস্টটি।
____________________________________________________________
হাফিয ইবনু কাসীর (ইবনু তাইমিয়্যাহ এর ছাত্র) ঘটনা উল্লেখ করে বলেন,
ইবনু তাইমিয়্যাহ দিমাশকে ইন্তেকাল করেন। গোসল দেয়ার পূর্বে একদল লোক মৃতদেহের পাশে বসলেন এবং কোর’আন তেলাওয়াত করলেন। (উল্লেখ্য, লা-মাযহাবীরা মৃত ব্যক্তির পাশে কোর’আন তেলাওয়াতকে বেদ’আত বলে থাকে) এবং তারা মৃতদেহ দর্শন করে এবং মৃতদেহ চুম্বন করে বরকত হাসিল করলেন। অতঃপর তারা সেখান থেকে চলে গেলেন। এরপর একদল মহিলা এসে উপস্থিত হলেন। তারাও একইভাবে কোর’আন তেলাওয়াত, দর্শন, এবং চুম্বন করে বরকত হাসিল করলেন এবং চলে গেলেন। (উল্লেখ্য, এগুলো লামাযহাবীদের নিকট চরম বেদ’আত)
অনেক আলোচনা। আগ্রহী ব্যক্তি আরবী এবারত পড়ে নেবেন।
অতঃপর যখন তাঁর জানাযা শেষ হলো, তখন তাঁকে (মাকবারাতুস সুফিয়্যাহ) সুফীদের কবরস্থানে নিয়ে যাওয়া হলো এবং তাঁর ভাই শরফুদ্দীন আব্দুল্লাহ এর পাশে দাফন করা হলো।
(উল্লেখ্য, লা-মাযহাবীরা সুফীদেরকে মুশরিক বলে থাকে। তারমানে তাদের কথা মত, তাদের শায়েখুল ইসলামকে মুশরিকদের কবরস্থানে দাফন করা হলো। শায়খুল ইসলামের শেষ ঠিকানা হলো মুশরিকদের কবরস্থানে!)
ইবনু কাসীর বলছেন,
ইবনু তাইমিয়্যাহ এর ইন্তেকাল উপলক্ষে ১৫ হাজার মহিলা এবং প্রায় ২লক্ষ পুরুষ উপস্থিত হয়েছিল। মহিলারা অনেক কান্নাকাটি ও করেছিল।
এরপর ইবনু কাসীর বলেন,
ইবনু তাইমিয়্যাহকে গোসল দেয়ার পর যে পানি অবশিষ্ট ছিল, একদল লোক তা পান করলো। আরেকদল লোক বরই পাতাগুলো ভাগাভাগি করে নিয়ে গেল যা গোসলের পর অবশিষ্ট রয়েছিল। (অবশ্যই এ কাজ গুলো করা হয়েছিল বরকত হাসিলের নিয়ত করে। আর লা-মাযহাবীরা বলে এটা বেদ’আত, হারাম)
এরপর ইবনু কাসীর বলছেন,
ইবনু তাইমিয়্যাহর মাথায় উকুন ছিল বিধায় তিনি গলায় তাগা ব্যবহার করতেন।
(খাইছে, লা-মাযহাবীরা বলে থাকে, তাবিজ, তাগা ঝুলানো স্পষ্ট শিরক। তারমানে তাদের শায়খুল ইসলাম উকুনের ভয়ে ঐ শিরক কাজ তাঁর জীবনে করলেন! উকুনের যদি এতই ভয়, তো আল্লাহর কাছে দোয়া করবেন, তাগা ঝুলাবেন কেন, তাই না?)
ইবনু কাসীর বলছেন, ঐ তাগাকে ১৫০ দিরহামে বিক্রয় করা হলো। আর তাঁর মাথায় ব্যবহৃত টুপিটি ৫০০ দিরহামে বিক্রয় করা হলো।
(অবশ্যই যারা কিনেছিলেন, তারা বরকত হাসিলের জন্য এত দাম দিয়ে এগুলো কিনেছিলেন, তাই নয় কি?)
এরপর ইবনু কাসীর বলছেন,
ইবনু তাইমিয়্যাহ এর ইনতেকাল উপলক্ষে অনেক খতম আদায় করা হলো। আর অনেকদিন পর্যন্ত ইবনু তাইমিয়্যাহ এর কবরের পাশে লোকজন দিন রাত (২৪ ঘন্টা) অবস্থান করেছিল। তারা সেখানে ঘুমাতো এবং ভোর করতো।
( হায় আল্লাহ, এ তো দেখি, রীতিমত উরস আর কবরপূজা। তারমানে, অনেকদিন পর্যন্ত ইবনু তাইমিয়্যাহ এর কবরের পূজা অর্চনা করা হলো, তাও আবার দিন রাত একই সমান্তরাল গতিতে! লাগাও এবার ফতোয়া।)
_____________________________________
এ হলো তোমাদের শায়খুল ইসলাম ইবনু তাইমিয়্যাহ এর ঘটনা, লিখেছেন তারই ছাত্র হাফিয ইবনু কাসীর তাঁর আল বিদায়াহ ওয়ান নেহায়াহ নামক কিতাবে।
ব্যাটারা,
তোমরা তো মুখে শিরক আর বেদ’আতের ফতোয়া দিয়ে থাক, এবার কী বলবে? তাই বলি, ধর্ম নিয়ে ব্যাবসা ছাড় আর চুপ থাক, নইলে তোমাদের আরো যা কিছু কুকীর্তি আছে, সব একে একে প্রকাশ করা হবে।

image

image

image

image

জানাজার নামাজের পর দোআ

Standard

জানাজা’র নামাজের পর দোয়া করা
***************************************************
লেখকঃ- আলহাজ্ব মুফতী এস এম সাকীউল কাউছার।
নায়েব-ই সাজ্জাদানশীনঃ- তরীকায়ে নকশবন্দীয়া মুজাদ্দেদীয়া গাউছিয়া।
ঘিলাতলা দরবার শরীফ, কুমিল্লা।
——————————————————————————————–
প্রসংগ কথাঃ- একজন মুসলমানের এ দুনিয়াতে শেষ অনুষ্ঠান নামাজে জানাজা। মৃত ব্যক্তির জন্য জানাজার নামাজ পড়া জীবিতদের জন্য ফরজে কেফায়া। জানাজাতে আত্মীয়-স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশী মুটামূটি অনেক লোক সমাগম হয়ে থাকে। জানাজার নামাজের পর অনেক লোক চলে যায় দাফন পর্যন্ত থাকেনা। দাফনের পর মুনাজাতে লোক কম হয় তাই জানাজার পর পরই দোয়া করা হলে অধিক লোকের হাত আল্লাহ’র দারবারে তোলার কারণে মৃত ব্যক্তির উপর আল্লাহ’র দয়া, মাগফিরাত, তার কবর ও আখিরাতের জীবন আরও উন্নত হওায়ার সম্ভাবনা বেশী থাকে । এই দোয়া শরীয়তের কোন নিষেধাজ্ঞা নেই বরং মুস্তাহাব। অথচ এ পূণ্য কাজটি অনেকে বিদাত বলে এবং জানাজা’র নামাজই দোয়া আর মুনাজাতের দরকার নেই এ বলে সাধারণ মুসলমানকে বিভ্রান্ত করছে। জানাজার পর ও দাফনের পর দোয়া করা হাদীছ দ্বারা প্রমাণিত। অতএব এ বিষয়ে শরীয়তের দৃষ্টিতে আলোকপাত করছি।
জানাজা-নামাজ,দোয়া নয়ঃ-
ফরজ নামাজ দুই প্রকার- ফরজে আইন (৫ ওয়াক্তের নামাজ), ফরজে কেফায়া (জানাজার নামাজ)। নামাজের জন্য অনেক শর্ত রয়েছে, পবিত্রতা, কেবলামূখী হওয়া, নিয়্যত করা, তাকবীরে তাহরিমা, সালাম ফিরায়ে নামাজ শেষ করা ইত্যাদি। ৫ ওয়াক্ত নামাজ ও জানাজার নামাজসহ সকল নামাজ তাকবীরে তাহরীমা দ্বারা শুরু হয় এবং ডানে বামে সালাম দ্বারা শেষ হয়। কিন্ত দোয়া-মুনাজাতের মধ্যে এগুলো শর্ত নয়। অতএব নামাজ ও দোয়ার মধ্যে অনেক পার্থক্য বিদ্যমান। জানাজার নামাজে নিয়্যতের মধ্যে “ছালাছাতিল জানাজা” অর্থাৎ জানাজার ছালাত বা নামজ উল্লেখ আছে। তাই তা নামাজ যা ইমামের পিছনে লাশকে সামনে রেখে কেবলা মূখী হয়ে কাতার বন্দী অবস্থায় আদায় করতে হয়। অনেকে বলে জানাজার মধ্যে দোয়া আছে তাই এটাই দোয়া ? আমি বলব ৫ ওয়াক্ত নামাজের ভিতরও দোয়া (দোয়া মাছুরা,ছানা ইত্যাদি), জিকির (রুকু-সিজদার তাছবীহ ইত্যাদি) ও দারূদ আছে। তাই বলে কি নামাজকে দোয়া, জিকির ও দরূদ বলা হয়? আল্লাহ্‌ পাক বলেন- اقيموا الصلوة لذكرى (আকিমুছ ছালাতা লে জিকরি) অর্থাৎ আমার জিকির বা স্মরণের উদ্দেশ্যে তুমরা ছালাত বা নামাজ কায়েম কর। এখন কি কেহ বলে নামাজই জিকির আর জিকির করতে হবেনা ?
তাই জানাজার নামাজের ভিতর দোয়া থাকলেও তাকে শুধু দোয়া বলা যাবে না তা নামাজ। তাছাড়া দোয়া বার বার করা যায় এতে উপকার ছাড়া ক্ষতি নাই। জানাজার আগেও লাশ সামনে রেখে কোরআন তালওয়াত, অজিফা ইত্যাদি পড়া হয় এ গুলো দোয়ার মধ্যে শামিল। জানাজার নামাজ ‘ফরজে আইন’ আর দোয়া হলো ‘সুন্নাত’। হাদীছে আছে- اكثرو الذعاء অর্থাৎ বেশী করে দোয়া প্রার্থনা করো। জানাজাও অনেক সময় ২-৩-৪ বার হয়। তাহলে জানাজার পর হাত তোলে আবার আল্লাহ’র নিকট দোয়া করাতে অসুবিধা কি? আর দোয়াও এক প্রকার ইবাদত। মিশকাত শরীফের কিতাবুদ দাওয়াতে হাদীছ বর্ণিত আছে- الدعاء هو العبادة অর্থাৎ দোয়া একপ্রকার ইবাদত। একই জায়গায় এই হাদীছ খানাও আছে- الدعاء مخ العبادة অর্থাৎ দোয়া ইবাদতের মূল। আর জানাজার নামাজ ফরজ ইবাদত।

জানাজা নামাজের পর দোয়ার প্রমাণঃ-
আবু দাউদ শরীফ হতে মেশকাত শরীফের ‘ছালাতুজ জানাজা’ অধ্যায়ের দ্বিতীয় পরিচ্ছেদে বর্ণিত হাদিছ- اذا صليتم على الميت فاخلصوا له الدعاء (ইজা ছাল্লাইতুমু আ’লাল মাইয়্যেতে ফাখলিছু লাহুদ দোয়া) অর্থাৎ যখন তুমরা মৃত ব্যক্তির জানাজার নামাজ পরে ফেল, তখন আন্তরিক ভাবে তার জন্য দোয়া কর।
এখানে ‘ফা’ হরফ বা অক্ষর দ্বারা জানাজার নামাজ ও দোয়াকে আলাদা করা হয়েছে। অর্থাৎ নামাজের পর পরই তার জন্য দোয়া করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। যারা এ হাদীছের অর্থ ‘জানাজার মধ্যে দোয়া কর’ বলে তারা ‘ফা’ এর অর্থ সম্পর্কে অজ্ঞ। কারণ আরবী ব্যাকরণ অনুযায়ী ‘ছাল্লাইতুম’ হচ্ছে শর্ত এবং ‘ফাখলিছু’ এর জাযা। শর্ত অ জাযার মধ্যে পার্থক্য থাকা বাঞ্ছণীয়, একতা অন্যটার অন্তর্ভুক্ত নয়।আর ‘ছাল্লাইতুম’ হলো অতীত কাল জ্ঞাপক ক্রিয়া এবং ‘ফাখলেছু’ হলো আদেশ বা নির্দেশাত্মক ক্রিয়া, তাই বুঝা গেল, নামাজ পড়ার পরই দুয়ার নির্দেশ রয়েছে। যেমন কোরআনে আছে- فااذا طعمتم فانتشروا অর্থাৎ যখন খাওয়া শেষ হবে তখন ছড়িয়ে পর। এখানেও ‘ফা’ শব্দ দ্বারা খাওয়ার পর ছড়িয়ে পরতে বলা হয়েছে, খাওয়ার মাঝখানে নয়।
মেশকাত শরীফের একই জায়গায় আরও উল্লেখ আছে- قرء على الجنازة بفاتحة الكتاب (ক্বারা’আ আ’লাল জানাজাতে বে ফাতিহাতিল কিতাব) অর্থাৎ হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জানাজায় সূরা ফাতিহা পাঠ করেছেন।
এ হাদীছের ব্যাখ্যা প্রসঙ্গে মেশকাত শরীফের ব্যাখ্যা ‘আশ’আতুল লুময়াত’ কিতাবে উল্লেখ আছে- “সম্ভবত হুজুর সাল্লল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জানাজার নামজের পরে বা আগে বরকতের জন্য সূরা ফাতিহা পাঠ করেছেন, যেমন আজকাল এর প্রচলন দেখা যায়”। এর থেকে বুঝা গেল মুহাদ্দিছকুল শিরমনি হযরত আব্দুল হক মুহাদ্দিছে দেহলবী (রঃ) এর যুগেও জানাজার নামাজের আগে বা পরে বরকতের জন্য সূরা ফাতিহা পাঠের প্রচলন ছিল। তিনি এতে নিষেধ করেননি, বরং হাদীছের অনুসরণই বলতে চেয়েছেন। আর সুরা ফাতিহা পাঠও এক প্রকার দোয়া।
বিখ্যাত ‘ফতহুল কাদির’ কিতাবের ‘জানাজার নামায’ পরিচ্ছেদে বর্ণিত আছে, হজুর আলাইহিস সালাম মিম্বরের উপর দাঁড়িয়ে মুতা যুদ্ধের খবর দিলেন। এর মধ্যে হযরত জাফর ইবনে আবি তালিব (রাঃ) এর শাহাদাতের খবর দিলেন। فصلى عليه رسول الله صلى الله عليه وسلم و دعاله و قال استغفروا له অর্থাৎ অতঃপর তার নামাজের জানাজা পড়লেন এবং তার জন্য দোয়া করলেন এবং লোকদেরকে বললেন তুমরাও তার মাগফিরাতের জন্য দোয়া কর। উল্লেখিত ইবারতে ‘দোয়া’ শব্দের আগে ‘ওয়াও’ অব্যয় দ্বারা বুঝা যায় যে,এ দোয়া নামাজের পরই করা হয়েছিল।
মাওয়াহিবে লাদুনিয়া কিতাবের দ্বিতীয় খন্ডের দ্বিতীয় পরিচ্ছেদে-
فيما اخبر من الغيوب এর ব্যাখ্যা প্রসঙ্গে উপরোক্ত ঘটনা হুবহু বর্ণনা করার পর বলেছেন- ثم قال استغفروا استغفرو له (ছুম্মা ক্বালা এস্তাগফেরু এস্তাগফেরুলাহু) অর্থাৎ মাগফিরাত কামনা কর, তার জন্য মাগফিরাত কামনা কর। রকম হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে রাওয়াহা (রাঃ) এর জানাজার পর দোয়া করেছেন। অতএব প্রমাণিত হলো যে, জানাজার পর মাগফিরাতের জন্য দোয়া করা জায়েয বা সুন্নাত।
সামশুল আয়িম্মা সরখসি (রঃ) এর রচিত “মাবসুত” নামক কিতাবের দ্বিতীয় খন্ডের ৬০ পৃষ্ঠায় ‘গোসলিল মাইয়্যেত’ অধ্যায়ে বর্ণিত আছে- হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রাঃ) একবর জানাজার নামাজের পর উপস্থিত হন এবং বলেন- ان سبقتمونى بالصلوة عليه فلا تسبقونى بالدعاء অর্থাৎ যদিও তুমরা আমার আগে নামাজ পড়ে ফেলেছো, কিন্তু দোয়ার সময় আমার আগে যেয়েও না। অর্থাৎ আমার সাথে দোয়ায় শরীক হও। ‘মাসবুত’ কিতাবের একই জায়গায় হযরত ইবনে উমর (রাঃ), আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ) এবং আব্দুল্লাহ ইবনে সালাম (রাঃ) থেকে প্রমাণ করেছেন যে, তাঁরা জানাজার নামাজের পর দোয়া করেছেন এবং উপরোক্ত হাদীছের ‘ফালা তাশবেকু’ এর দ্বারা প্রতীয়মান হয় যে, জানাজার পর দোয়ার মধ্যে সাহাবায়ে কিরাম (রাঃ) আমল করতেন। অতএব জানাজার পর দোয়া করা বেদাত-নাজায়েয বলা গোমরাহি।
প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর দোয়া করা সুন্নাত ও দোয়া কবুল হওয়ার সম্ভাবনা বেশী থাকে। যেমন- মিশকাত শরীফে ‘আজ জিকরু বা’দাছ ছালাত’ অধ্যায়ে বর্ণিত আছে- قيل يا رسول الله اى الدعاء اسمع قال جوف الليل الاخر و دبر الصلوة المكتوبات অর্থাৎ হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আরজ করা হলো কোন সময়ের দোয়া বেশী কবুল হয়, তিনি এরশাদ করেন- শেষ রাত্রির মধ্যবর্তী সময় ও ফরজ নামাজের পরে। জানাজার নামাজও ফরজ (ফরজে কেফায়া) তাই জানাজার পরেও দোয়া করলে কবুল হওয়ার আশা বেশী। মৃত ব্যক্তির জন্য যা নাজাতের উসিলা হতে পারে।
ইমাম আবূ দাউদ (রহ:) ও ইমাম বায়হাকী (রহ:) ‘হাসান’ এসনাদে হযরত উসমান (রা:) থেকে বর্ণনা করেন; তিনি বলেন: মহানবী (দ:) ইন্তেকাল প্রাপ্ত কারো দাফনের পরে তার (কবরের) পাশে দাঁড়াতেন এবং বলতেন, ‘এই ইন্তেকাল প্রাপ্তের গুনাহ মাফের জন্যে দোয়া করো, যাতে সে দৃঢ় থাকে; কেননা তাকে (কবরে) প্রশ্ন করা হচ্ছে।‘
অতএব প্রমাণিত হলো শরীয়তের দৃষ্টিতে জানাজার পর ও দাফনের পর দোয়া করা সুন্নাত-মোস্তাহাব। বেদাত বা নাজায়েয নয়। —–সমাপ্ত——-

থানবী ছিল ব্রিটিশ এজেন্ট!!

Standard

************
দেওবন্দী নিজস্ব ডকুমেন্ট “মুকালামুতুচ্ছাদারিয়ান” নামক বইয়ের ১০-১১ নং পাতায় আশরাফ আলী থানভীর ভাতা গ্রহণের বিষয়টি উঠে আসে। যেখানে দেখা যায়, মালানা সাব্বির আহমেদ আল দেওবন্দী (সভাপতি জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ, কলকাতা) মাওলানা হাফিজুর রহমানকে থানভীর ব্রিটিশ ভাতা গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করে।
স্ক্যানসহ দেওয়া হল

image

image

image

image