ওহাবীদের কুফুরী আকিদা!

Standard

মৌং আশ্রাফ আলী থানভীসহ দেওবন্দীদের আক্বীদা ও শিক্ষা হচ্ছে: ১. “আল্লাহ্ মিথ্যা বলতে পারেন।” [ফাতাওয়া-ই রশীদিয়া, ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা-৯, কৃত মৌং রশীদ আহমদ গাঙ্গূহী দেওবন্দী] ২. “আল্লাহ্ আগে জানেন না বান্দা কি কাজ করবে। বান্দা যখন সম্পন্ন করে নেয় তখনই আল্লাহ্ তা জানতে পারেন।” [তাফসীর-ই বুলগাতুল হায়রান, পৃষ্ঠা ১৫৭-৫৮, কৃত মৌং হুসাইন আলী ওয়াঁভচরান ওয়ালা দেওবন্দী] ৩. “শয়তান ও মালাকুল মাওত-এর জ্ঞান হুযূর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর চেয়ে বেশি।” [বারাহীন-ই ক্বাতি‘আহ্, পৃষ্ঠা ৫১, কৃত খলীল আহমদ আম্বেটভী দেওবন্দী] ৪. “আল্লাহ্র নবীর নিকট নিজের পরিণতি এবং দেয়ালের পেছনের জ্ঞানও নেই।” [বারাহীন-ই ক্বাতি‘আহ্, পৃষ্ঠা ৫১, কৃত খলীল আহমদ আম্বেটভী দেওবন্দী] ৫. “হুযূর আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আল্লাহ্ তা‘আলা তেমনি জ্ঞান দান করেছেন, যেমন জ্ঞান জানোয়ার, পাগল এবং শিশুদের নিকটও রয়েছে।” [হিফযুল ঈমান, পৃষ্ঠা ৭, কৃত মৌং আশ্রাফ আলী থানভী দেওবন্দী] ৬. “নামাযে হুযূর আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রতি শুধু খেয়াল যাওয়া গরু-গাধার খেয়ালে ডুবে যাওয়া অপেক্ষাও মন্দতর।” [সেরাতে মুস্তাক্বীম, পৃষ্ঠা ৮৬, কৃত মৌং ইসমাঈল দেহলভী ওহাবী] ৭. “‘রাহমাতুল্লিল ‘আলামীন’ (সমস্ত বিশ্বের জন্য রহমত) রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খাস উপাধি নয়। হুযূর আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছাড়া অন্যান্য বুযুর্গকেও ‘রাহ্মাতুল্লিল ‘আলামীন’ বলা যেতে পারে।” [ফাতাওয়া-ই রশীদিয়া, ২য় খণ্ড, পৃষ্ঠা-১২, কৃত মৌং রশীদ আহমদ গাঙ্গূহী দেওবন্দী] ৮. “‘খাতামুন্নবিয়্যীন’ অর্থ ‘আখেরী বা শেষনবী’ বুঝে নেওয়া সাধারণ লোকদের খেয়াল মাত্র। জ্ঞানী লোকদের মতে এ অর্থ বিশুদ্ধ নয়। হুযূর আক্রামের যুগের পরও যদি কোন নবী পয়দা হয়, তবে হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শেষ নবী হওয়ায় কোন ক্ষতি হবে না।” [তাহযীরুন্নাস, পৃষ্ঠা ৩ ও ২৫, কৃত দারুল উলূম দেওবন্দ মাদরাসার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা মৌং কাসেম নানুতভী] ৯. “হুযূর আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দেওবন্দের আলেমদের সাথে সম্পর্কের সুবাদে উর্দূ শিখতে পেরেছেন।” [বারাহীন-ই ক্বাতি‘আহ্, পৃষ্ঠা ২৬, কৃত মৌং খলীল আহমদ আম্বেটভী দেওবন্দী] ১০. “নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সম্মান শুধু বড় ভাইয়ের মতই করা চাই।” [তাক্ব্ভিয়াতুল ঈমান, পৃষ্ঠা ৫৮, কৃত মৌং ইসমাঈল দেহলভী ওহাবী] ১১. “আল্লাহ্ তা‘আলা ইচ্ছা করলে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সমকক্ষ কোটি কোটি পয়দা করতে পারেন।” [তাক্ব্ভিয়াতুল ঈমান, পৃষ্ঠা ১৬, কৃত মৌং ইসমাঈল দেহলভী ওহাবী] ১২. “হুযূর আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মৃত্যুবরণ করে মাটিতে মিশে গেছেন।” [তাক্ব্ভিয়াতুল ঈমান, পৃষ্ঠা ৫৯, কৃত মৌং ইসমাঈল দেহলভী] ১৩. “নবী-রসূল সবাই অকেজো।” [তাক্ব্ভিয়াতুল ঈমান, পৃষ্ঠা ২৯, কৃত মৌং ইসমাঈল দেহলভী ওহাবী] ১৪. “নবী প্রতিটি মিথ্যা থেকে পবিত্র ও মা’সূম হওয়া বাঞ্ছনীয় নয়।” [তাস্ফিয়াতুল্ আক্বাইদ, পৃষ্ঠা ২৫, কৃত মৌং কাসেম নানুতভী] ১৫. “নবীর প্রশংসা শুধু মানুষের মতই কর; বরং তা অপেক্ষাও সংক্ষিপ্ত কর।” [তাক্ব্ভিয়াতুল ঈমান, পৃষ্ঠা ৬১, কৃত মৌং ইসমাঈল দেহলভী] ১৬. “বড় অর্থাৎ নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আর ছোট অর্থাৎ অন্যসব বান্দা বেখবর ও অজ্ঞ।” [তাক্ব্ভিয়াতুল ঈমান, পৃষ্ঠা ৩, কৃত মৌং ইসমাঈল দেহলভী ওহাবী] ১৭. “বড় মাখলূক অর্থাৎ নবী, আর ছোট মাখলূক অর্থাৎ অন্যসব বান্দা আল্লাহর শান বা মর্যাদার সামনে চামার অপেক্ষাও নিকৃষ্ট।” [তাক্ব্ভিয়াতুল ঈমান, পৃষ্ঠা ১৪, কৃত মৌং ইসমাঈল দেহলভী ওহাবী] ১৮. “নবীকে ‘তাগূত’ (শয়তান) বলা জায়েয।” [তাফসীর-ই বুলগাতুল হায়রান, পৃষ্ঠা ৪৩, কৃত. মৌং হুসাইন আলী ওয়াঁভচরান ওয়ালা] ১৯. “নবীর মর্যাদা উম্মতের মধ্যে গ্রামের চৌধুরী ও জমিদারের মত।” [তাক্ব্ভিয়াতুল ঈমান, পৃষ্ঠা ৬১, কৃত মৌং ইসমাঈল দেহলভী ওহাবী] ২০. “যার নাম মুহাম্মদ কিংবা আলী তিনি কোন কিছুর ইখতিয়ার রাখেন না। নবী ও ওলী কিছুই করতে পারেন না।” [তাক্ব্ভিয়াতুল ঈমান, পৃষ্ঠা ৪১, কৃত মৌং ইসমাঈল দেহলভী ওহাবী] ২১. “উম্মত বাহ্যিকভাবে আমলের মধ্যে নবী থেকেও বেড়ে যায়।” [তাহযীরুন্নাস, পৃষ্ঠা ৫, কৃত মৌং কাসেম নানুতভী] ২২. “দেওবন্দী মোল্লা হুযূর আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে পুলসেরাত হতে পতিত হওয়া থেকে রক্ষা করেছেন।” [তাফসীর-ই বুলগাতুল হায়রান, পৃষ্ঠা ৮, মৌং হুসাইন আলী] ২৩. “‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ্ আশরাফ আলী রসূলুল্লাহ্’ আর ‘আল্লাহুম্মা সল্লি ‘আলা সায়্যিদিনা ওয়া নবীয়্যিনা আশরাফ আলী’ বলার মধ্যে সান্ত্বনা রয়েছে, কোন ক্ষতি নেই।” [রিসালা-ই ইমদাদ, পৃষ্ঠা ৩৫, সফর – ১৩৩৬ হিজরি সংখ্যা] ২৪. “‘মীলাদুন্নবী’ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উদ্যাপন করা তেমনি, যেমন হিন্দুরা তাদের কানাইয়্যার জন্মদিন পালন করে।” [বারাহীন-ই ক্বাতি‘আহ্, পৃষ্ঠা ১৪৮, ফাতওয়া-ই মীলাদ শরীফ, পৃষ্ঠা ৮] ২৫. “রসূল চাইলে কিছুই হয়না।” [তাক্ব্ভিয়াতুল ঈমান, পৃষ্ঠা ৫৬, কৃত মৌং ইসমাঈল দেহলভী ওহাবী] ২৬. “আল্লাহর সামনে সমস্ত নবী ও ওলী একটা নাপাক ফোঁটা অপেক্ষাও নগণ্য।” [তাক্ব্ভিয়াতুল ঈমান, পৃষ্ঠা ৫৬, কৃত মৌং ইসমাঈল দেহলভী ওহাবী] ২৭. “নবীকে নিজের ভাই বলা দুরস্ত।” [বারাহীন-ই ক্বাতি‘আহ্, পৃষ্ঠা ৩, কৃত মৌং খলীল আহমদ আম্বেটভী] ২৮. “নবী ও ওলীকে আল্লাহর সৃষ্টি ও বান্দা জেনেও উকিল এবং সুপারিশকারী মনে করে এমন মুসলমান সাহায্যের জন্য আহ্বানকারী ও নযর-নিয়াযকারী মুসলমান, আর কাফির আবূ জাহ্ল-শির্কের মধ্যে সমান।” [তাক্ব্ভিয়াতুল ঈমান, পৃষ্ঠা ৭-২৭, কৃত মৌং ইসমাঈল দেহলভী ওহাবী] ২৯. “‘দরূদ-ই তাজ’ অপছন্দনীয় এবং পাঠ করা নিষেধ।” [ফযাইলে দরূদ শরীফ, পৃষ্ঠা ৯২, ফাযাইলে আ’মাল তথা তাবলীগী নেসাব থেকে পৃথীকৃত] ৩০. মীলাদ শরীফ, মি’রাজ শরীফ, ওরস শরীফ, খতম শরীফ, চেহলামের ফাতিহাখানি এবং ঈসালে সাওয়াব- সবই নাজায়েয, ভুল প্রথা, বিদ’আত এবং কাফির ও হিন্দুদের প্রথা।” [ফাতাওয়া-ই রশীদিয়া, ২য় খণ্ড, পৃষ্ঠা ১৫০ এবং ৩য় খণ্ড, পৃষ্ঠা ৯৩-৯৪, কৃত প্রাগুক্ত] ৩১. “প্রসিদ্ধ কাক খাওয়া সাওয়াব।” [ফাতাওয়া-ই রশীদিয়া, ২য় খণ্ড, পৃষ্ঠা ১৩০, কৃত মৌং রশীদ আহমদ গাঙ্গূহী] ৩২. “হিন্দুদের হোলী-দেওয়ালীর প্রসাদ ইত্যাদি জায়েয।” [ফাতাওয়া-ই রশীদিয়া, ২য় খণ্ড, পৃষ্ঠা ১৩২, কৃত মৌং রশীদ আহমদ গাঙ্গূহী] ৩৩. “ভাঙ্গী-চামারের ঘরের রুটি ইত্যাদির মধ্যে কোন দোষ নেই, যদি পাক হয়।” [ফাতাওয়া-ই রশীদিয়া, ২য় খণ্ড, পৃষ্ঠা ১৩০, কৃত মৌং রশীদ আহমদ গাঙ্গূহী] ৩৪. “হিন্দুদের সুদী টাকায় উপার্জিত অর্থে কূপ বা নলকূপের পানি পান করা জায়েয।” [ফাতাওয়া-ই রশীদিয়া, ৩য় খণ্ড, পৃষ্ঠা ১১৩-১১৪, কৃত মৌং রশীদ আহমদ গাঙ্গূহী]

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s