বুকের হাত বাঁধার হাদিসটা কি সহীহ!!!

Standard

image

️✔️ বুকের উপর হাত বাঁধা সংক্রান্ত আবু দাউদের হাদীসটি কি সহীহ?সুনানে আবু দাউদ (ইফাঃ), ২/ সালাত (নামায) ৭৫৯। আবূ তাওবা তাউস (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নামাযরত অবস্হায় ডান হাত বাম হাতের উপর স্হাপন করে তা নিজের বুকের উপর বেঁধে রাখতেন।
হাদিসের মানঃ সহিহ – আলবানীحَدَّثَنَا أَبُو تَوْبَةَ، حَدَّثَنَا الْهَيْثَمُ،
– يَعْنِي ابْنَ حُمَيْدٍ – عَنْ ثَوْرٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ مُوسَى، عَنْ طَاوُسٍ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَضَعُ يَدَهُ الْيُمْنَى عَلَى يَدِهِ الْيُسْرَى ثُمَّ يَشُدُّ بَيْنَهُمَا عَلَى صَدْرِهِ وَهُوَ فِي الصَّلاَةِ . صحيح (الألباني) حكمএটি মুরসাল হাদীস। কারণ এটি বর্ণনা করেছেন একজন তাবেয়ী। তিনি কোন সাহাবী থেকে শুনেছেন তা তিনি বলেননি। তাই এ হাদীসের সনদ রাসূল সাঃ পর্যন্ত পৌঁছেনি। যে হাদীসের সনদ রাসূল (দঃ) পর্যন্ত পৌঁছেনি। সেটি দিয়ে কথিত আহলে হাদীস ভাইয়েরা কি করে দলীল পেশ করেন?তাছাড়া এ হাদীসে সুলাইমান বিন মুসা নামে একজন বর্ণনাকারী রয়েছেন। তার সম্পর্কে
(১) ইমাম বুখারী (রহঃ) বলেছেন عنده مناكير তথা তার কাছে আপত্তিকর বর্ণনা রয়েছে।{আলকাশিফলিযযাহাবী}
(২) ইমাম নাসায়ী (রহঃ) বলেছেন, ليس بالقوى فى الحديث তথা তিনি হাদীসে মজবুত নন। {আলকাশিফ লিযযাহাবী}
(৩) আলী ইবনুল মাদিনী (রহঃ) বলেছেন مطعون عليه তথা সমালোচিত ও অভিযুক্ত রাবী।
(৪) আস সাজী (রহঃ) বলেছেন, عنده مناكير তথা তার কাছে আপত্তিকর বর্ণনা আছে।
(৫) হাকেম আবু আহমাদ (রহঃ) বলেছেন, فى حديثه بعض المناكير তথা তার হাদীসে কিছু কিছু আপত্তিকর বিষয়আছে।
(৬) ইবনুল জারূদ তাকে তার “যুআফা” গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। মানে তার মতে সুলাইমান একজন দুর্বল রাবী।
(৭) আলবানী  বলেছেন, صدوق فى حديثه بعض لين তিনি সত্যবাদী তবে তার হাদীসে কিছু দূর্বলতা রয়েছে। {আসলু সিফাতিস সালাহ২/৫২৮}যে হাদীস একদিকে মারফূ তথা রাসূল (দঃ) পর্যন্ত সূত্রবদ্ধ নয়। অপরদিকে এমন একজন রাবী রয়েছেন, যাকে মুহাদ্দিসীনে কেরাম, এমনকি আহলে হাদীস ভ্রান্ত মতবাদের শায়েখ আলবানীও তার মাঝে দুর্বলতা আছে বলে স্বীকার করেছেন, সেই হাদীস কি করে কথিত আহলে হাদীস ভাইয়েরা দলীল হিসেবে উপস্থাপন করলেন?এটি আমাদের কিছুতেই বোধগম্য নয়।

হাদিসে জাবের pdf link

Standard

image

বিখ্যাত নুর সম্পর্কিত সম্পূর্ণ হাদীসটি হলঃ-
হযরত জাবের ইবনে আব্দুল্লাহ (রাঃ) হইতে বর্ণিত আছে, “তিনি বলেন- আমি আরজ করলাম, হে রাসুল আল্লাহ্‌ (সঃ), আপনার উপর আমার পিতা মাতা উৎসর্গিত, আল্লাহতালা সর্বপ্রথম কোন বস্তুটি সৃষ্টি করেছেন? উত্তরে নবী করিম (সঃ) বলেন– হে জাবের, আল্লাহতালা সর্ব প্রথম সমস্ত বস্তুর পূর্বে তাঁর আপন নূর হতে তোমার নবীর নূর পয়দা করলেন। তারপর আল্লাহ্‌র ইচ্ছানুযায়ী সেই নূর পরিভ্রমণ করতে লাগল। ওই সময় না ছিল লউহে-মাহফুজ, না ছিল কলম, না ছিল বেহেস্ত, না ছিল দোজখ, না ছিল ফেরেশতা, না ছিল আকাশ, না ছিল পৃথিবী, না ছিল সূর্য, না ছিল চন্দ্র, না ছিল জিন জাতি, না ছিল মানবজাতী। অতঃপর যখন আল্লাহ্‌ তালা অন্যান্য বস্তু সৃষ্টি করার মনস্ত করলেন, তখন ওই নূর কে চার ভাগ করে প্রথম ভাগ দিয়ে কলম, ২য় ভাগ দিয়ে লউহে-মাহফুজ, ৩য় ভাগ দিয়ে আরশ সৃষ্টি করলেন। অবশিষ্ট এক ভাগকে আবার চার ভাগে ভাগ করে ১ম ভাগ দিয়ে আরশ বহনকারী ফেরেশতা, ২য় ভাগ দিয়ে কুরশি, ৩য় ভাগ দিয়ে অন্যান্য ফেরেশতা সৃষ্টি করলেন। ২য় চার ভাগের অবশিষ্ট এক ভাগ কে আবার পুনরায় চার ভাগ করে ১ম ভাগ দিয়ে আকাশ, ২য় ভাগ দিয়ে জমিন, ৩য় ভাগ দিয়ে বেহেস্ত-দুজখ সৃষ্টি করলেন। অবশিষ্ট এক ভাগ কে আবার চার ভাগে ভাগ করে ১ম ভাগ দিয়ে মোমেনদের নয়নের দৃষ্টি, ২য় ভাগ দিয়ে কালবের নূর তথা আল্লাহ্‌র মারেফত, ৩য় ভাগ দিয়ে তাদের মহবতের নূর তথা তাওহিদি কালেমা “লা ইলাহা ইল্লালাহু মহাম্মুদুর রাসুলাল্লাহ (সঃ)” সৃষ্টি করলেন এবং বাকি এক ভাগ দিয়ে সমস্ত কিছু সৃষ্টি করলেন।

[মূলসূত্রঃ- মুসান্নাফ আব্দুর রাজ্জাক, ভলি-০১, পৃ-৯৯, হাদীস নং-১৮; এই সহীহ হাদীসের কিতাবটি ইমাম বুখারী (রঃ) এর দাদা উস্তাদ মুহাদ্দীস আব্দুর রাজ্জাক (রঃ) কর্তৃক রচিত; প্রকাশনী- দার আল মুহাদ্দীস, রিয়াদ, সৌদি আরব,
বি:দ্র: খুশির খবর বহু বছর পর মুসান্নাফে অাব্দুর রজ্জাক সম্পাদিত অাসল কিতাবের নুরের অধ্যায়টি বর্তমানে উদ্ধার করা হয়েছে তা ইস্তান্বুলের জাদুঘরে সংরক্ষিত অাছে)))

হাদীসের সনদটি নিম্নরূপ
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম>>জাবির বিন আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়্যাল্লাহু আনহু>>মুহাম্মাদ বিন মুঙ্কদার রাহমাতুল্লাহি আলাইহি>>মা’মার বিন রাশীদ>>আব্দুর রাজ্জাক রাহমাতুল্লাহি আলাইহি

এবার দেখা যাক প্রখ্যাত মুহাদ্দীগণের মন্তব্য:
(ক)হাফেজে হাদিস মুহাদ্দীস আব্দুল হক দেহলভী রাহমাতুল্লাহি আলাইহি তাঁর সুবিখ্যাত সিরাত গ্রন্থ ‘মাদারিজ নব্যুওত’ গ্রন্থে হাদীসটিকে হাসান ও সহীহ বলেছেন।

(খ) আহমাদ ইবন সালীহ (রঃ) বলেন, “আমি একবার আহমাদ বিন হাম্বল (রঃ) কে জিজ্ঞাসা করলাম, আপনি হাদীস শাস্ত্রে আব্দুর রাজ্জাকের থেকে ভালো অার কাউকে পেয়েছেন? আহমাদ বিন হাম্বল (রঃ) বলেন, না”। [আসকলানী, তাহজিবুত তাহজিব ২/৩৩১]

(গ) হাদীসটির একটি রাবী হলেন মা’মার বিন রাশীদ। উনার সম্পর্কে আহমাদ বিন হাম্বল (রঃ) বলেন, আমি বাসরার সকল হাদীস শাস্ত্রের বিশেষজ্ঞের থেকে মুসান্নাফ আব্দুর রাজ্জাকে মা’মার বিন রাশীদ এর সূত্রে পাওয়া হাদীসগুলো পছন্দ করি।
ইমাম ইবন হাজর আসকলানী (রঃ) উনাকে দক্ষ মুখস্তবীদ, নির্ভরযোগ্য বলেন। [আসকলানী, তাহজিবুত তাহজিব ১/৫০৫]
মা’মার বিন রাশীদ সূত্রে বর্ণিত বুখারী শারীফের হাদীস সংখ্যা প্রায় ২২৫ এবং মুসলিম শারীফে বর্ণিত হাদীস সংখ্যা প্রায় ৩০০

(ঘ) হাদীসটির আরেক রাবী হলেন মুহাম্মাদ বিন মুকদার। ইমাম হুমায়দি বলেন, মুকদার একজন হাফিজ ইমাম জারাহ তাদীল ইবন মা’ঈন বলেন, উনি নির্ভরযোগ্য [আসকলানী, তাহজিবুত তাহজিব ভলি ০৯/১১০৪৮]

মুকদার থেকে বর্ণিত হাদীসের সংখ্যা বুখারী শারীফে ৩০টি এবং মুসলিম শারীফে ২২টি।

(ঙ) আর জাবির রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু একজন সুপ্রসিদ্ধ সাহাবী। বুখারী ও মুসলিম শারীফের উনার থেকে বর্ণিত অনেক হাদীস আছে।

সুতরাং বুঝা গেল। হাদীসটির সকল রাবীই নির্ভরযোগ্য এবং উনাদের সূত্রে বুখারী ও মুসলিম শারীফে ও হাদীস বর্ণিত আছে।
নবীজি সাল্লাঅাল্লাহু অালাইহে ওয়ালিহি ওয়াসাল্লাম নুর এ সম্পর্কিত মুসান্নাফে অাব্দুর রাজ্জাক
আরবী মূল কিতাবের স্ক্যান কপিসহ বিস্তারিত দেখুন নিচের লিঙ্কে
http://alturath.info/hadeeth/abdel-razek/abdel-razek.htm

এবং এই হাদীস শরীফটিকে আরও যে সমস্ত কিতাবে সহীহ হাদীস হিসেবে মন্তব্য করে দলীল হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে-
দালায়েলুন নবুওয়াত ১৩/৬৩; মাওয়াহেবুল্লাদুন্নিয়া ১/৯; মাদারেজুন নবুওয়াত ২/২; যুরকানী ১/৪৬; রুহুল মায়ানী ১৭/১০৫; সিরাতে হলবীয়া ১/৩০; মাতালেউল মাসাররাত ২৬৫ পৃ; ফতোয়ায়ে হাদীসিয়া ১৮৯ পৃ; নি’ মাতুল কুবরা ২ পৃ; হাদ্বীকায়ে নদীয়া ২/৩৭৫; দাইলামী শরীফ ২/১৯১; মকতুবাত শরীফ ৩ খন্ড ১০০ নং মকতুব; মওজুয়াতুল কবীর ৮৩ পৃ; ইনছানুল উয়ুন ১/২৯; নূরে মুহম্মদী ৪৭ পৃ; আল আনোয়ার ফি মাওলিদিন নবী ৫ পৃ; আফদ্বালুল ক্বোরা; তারীখুল খমীস; নুজহাতুল মাজালিস ১ খন্ড; দুররুল মুনাজ্জাম ৩২ পৃ; কাশফুল খফা ১/৩১১; তারিখ আননূর ১/৮; আনোয়ারে মুহম্মদীয়া ১/৭৮; আল মাওয়ারিদে রাবী ফী মাওলীদিন নবী; তাওয়ারীখে মুহম্মদ; আনফাসে রহীমিয়া; মা’ য়ারিফে মুহম্মদী; মজমুয়ায়ে ফতোয়া ২/২৬০; নশরুতত্বীব ৫ পৃ; আপকা মাসায়েল আওর উনকা হাল ৩/৮৩; শিহাবুছ ছাকিব ৫০; মুনছিবে ইছমত ১৬ পৃ; রেসালায়ে নূর ২ পৃ; হাদীয়াতুল মাহদী ৫৬পৃ; দেওবন্দী আজিজুল হক অনুবাদ কৃত বুখারী শরীফ ৫/৩।

এ সম্পর্কে অারো কয়েকটি হাদিস শরীফ:

বোখারী শরীফের ব্যাখ্যাকার আল্লামা ইমাম আহমদ কুস্তালানী (রহঃ) তাঁর সুপ্রসিদ্ধ কিতাব মাওয়াহে লাদুনিয়ায় হযরত ইমাম জয়নাল আবেদীন রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে, তিনি তাঁর পিতা হযরত ইমাম হোসাইন রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে, তিনি তাঁর পিতা হযরত আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে, তিনি রাসুলে করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেন,

নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, ” আমি হযরত আদম আলাইহিস সালাম সৃষ্টির ১৪০০০ বছর পূর্বে আল্লাহর নিকট নুর হিসাবে বিদ্যমান ছিলাম।”

[মাওয়াহেবে লাদুনিয়া, প্রথম খন্ড, পৃষ্ঠা-৯; যুরকানী শরীফ, প্রথম খন্ড, পৃষ্ঠা-৪৬; সিরাতে হালভিয়া, প্রথম খন্ড, পৃষ্ঠা-৩৭, হুজ্জাতুল্লাহি আলাল আলামিম, পৃষ্ঠা- ২৮, আনোয়ারে মুহাম্মদীয়া, পৃষ্ঠা- ০৯; ফতওয়ায়ে হাদিসিয়া, পৃষ্ঠা-৫১]

হাদিস :
عن حضرت ابي هريرت رضي الله عنه قال قال رسول صلي الله عليه
و سلم كنت اول النبين في الخلق واخرهم في البعث

অর্থ: হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু আনহু উনার থেকে বর্নিত, হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, সৃষ্ট জীবের মধ্যে আমি সর্বপ্রথম নবী হিসাবে সৃষ্টি হয়েছি। কিন্তু আমি প্রেরিত হয়েছি ( যমীনে প্রকাশ পেয়েছি) সব নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের শেষে।”

দলীল-
√ তাফসীরে বাগবী ৫/২০২
√ দূররে মানছুর ৫/১৮৪
√ শেফা ১/৪৬৬
√ মানাহিলুচ্ছফা ৫/৩৬
√ কানযুল উম্মাল ৩১৯১৬
√ দয়লামী ৪৮৫০

হাদিস
عن ابن اباس رضي الله عنهما انه قال قال رسول الله صلي عليه و سلم اتاني جبريل عليه السلام فقال يا رسول الله صلي عليه و سلم لولاك ما خلقت الجنة ولولاك ما خلقت النار

অর্থ : হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্নিত, নিশ্চয়ই হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, হযরত জিব্রাইল আলাইহিস সালাম আমার নিকট আগমন করে বলেন, ইয়া রসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাকে এই বলে পাঠিয়েছেন যে, আপনি যদি না হতেন তবে আমি জান্নাত ও জাহান্নাম কিছুই সৃষ্টি করতাম না। ”
সুত্র-
√ কানযুল উম্মাল- হাদীস ৩২০২২
√ দয়লামী শরীফ

এ প্রসঙ্গে অারেকটি হাদিস:
কোন এক সময় “হযরত রাসুল করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম” হযরত জিব্রাঈল (আঃ) এর নিকট জিজ্ঞাসা করিলেন ” হে ভাই জিব্রাইল! তোমার বয়স কত বৎসর হইয়াছে?”হযরত জিব্রাইল (আঃ) উত্তর করিলেন,” হে আল্লাহর রাসূল! আমি আমার বয়স সম্পর্কে কিছুই বলিতে পারিনা। তবে আমি আপনাকে আমার বয়স সম্পর্কে এতটুকু তথ্য জানাইতে পারি যে, চতুর্থ আসমানে একটি উজ্জ্বল তারকা ছিল, উক্ত তারকাটি সত্তর হাজার বৎসর পর পর আসমানে একবার উদয় হইত। আমি উহাকে সত্তর হাজার বার উদয় হইতে দেখিয়াছি। এখন চিন্তা করুন আমার বয়স কত হইতে পারে ।”নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হযরত জিব্রাইল (আঃ) এর এই উত্তর শুনিয়া ইরশাদকরিলেন “হে ভাই জিব্রাঈল! আমি আমার পরওয়ার দিগারের নামে শপথ করিয়া বলিতেছি যে, উক্তউজ্জ্বল তারকাটি আমিই ছিলাম।

(তাফসিরে রুহুল বায়ান প্রথম খন্ড ৯৭৪ পৃষ্টা,
ইমাম বুখারীর রহ: লিখিত তারিখ উল কাবির,
ইমাম অান নুবানি রহ: এর জাওয়াহিরুল নিহার কিতাব দৃষ্টাব্য)

নুর সম্পর্কিত
অারো অসংখ্য হাদিস শরীফ বিভিন্ন কিতাবে রয়েছে যা বাতিলরা একবাক্যে জাল বলে সরাসরি সহিহ হাদিসকে অস্বীকার করে!!
রাসুলে করিম (সাল্লাঅাল্লাহু অালাইহে ওয়াসাল্লাম) এর বানীকে মিথ্যা স্বাব্যস্ত করে!!!
তাদের অাল্লাহ হেদায়াত নসিব করুন!!

মেহেদির ব্যবহার

Standard

প্রশ্ন:- পুরুষদের জন্য হাতে বা নখে মেহেদী মাখা শরী‘আতসম্মত হবে কি?
.
জাওয়াব :-
.
সৌন্দর্যের জন্য পুরুষদের হাতে-পায়ে মেহেদী ব্যবহার করা জায়েয নয়।
.
(ইবনু হাজার, ফৎহুল বারী হা/৫৮৯৯-এর ব্যাখ্যা দ্রঃ)
.
কারণ মেহেদী এক ধরনের রঙ। আর পুরুষদের জন্য রঙ ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, জেনে রাখো যে, পুরুষদের খোশবূ এমন, যাতে সুগন্ধি আছে রং নেই। পক্ষান্তরে নারীদের খোশবূ এমন, যাতে রং আছে সুগন্ধি নেই।
.
(তিরমিযী হা/২৭৮৭, মিশকাত হা/৪৪৪৩)।
.
এছাড়া তিনি পুরুষদের জন্য রঙ থাকার কারণে জাফরানের সুগন্ধি ব্যবহার করতেও নিষেধ করেছেন।
.
(বুখারী হা/৫৮৪৬, মুসলিম হা/২১০১, মিশকাত হা/৪৪৩৪)
.
তবে চিকিৎসার প্রয়োজনে যে কোন স্থানে মেহেদী ব্যবহার করা জায়েয আছে।
.
(তিরমিযী হা/২০৫৪, ছহীহুল জামে‘ হা/৪৬৭১, ছহীহাহ হা/২০৫৯)।
.
মাথার চুল ও দাড়িতে মেহেদী ব্যবহার করা উত্তম।
.
(আবুদাঊদ, তিরমিযী, মিশকাত হা/৪৪৫১)
Like
Comment
Share

সূরা আরাফের ৩ নং আয়াতের ব্যাখ্যা

Standard

image

অর্থঃহে লোকেরা, সেটার উপরই চলো, যা তোমাদের প্রতি তোমাদের রবের নিকট থেকে অবতীর্ণ হয়েছে এবং সেটাকে ছেড়ে দিয়ে অন্য হুকুমদাতাদের অনুসরণ করো না।তোমরা খুবই কম বুঝে থাকো।
★সূরা আরাফঃ৩ নং আয়াত।

ব্যাখ্যাঃ
এই আয়াতের তাফসীর হচ্ছে এই আয়াত-
অর্থাৎ এবং কাফিরদের জন্য সাহায্যকারী হচ্ছে শয়তান”
★সূরা বাক্বারাঃ২৫৭ নং আয়াত

অর্থাৎ শয়তান হচ্ছে আল্লাহ ব্যতীত অন্য বন্ধু।তাকে বন্ধু বানানো কুফর।পক্ষান্তরে,আল্লাহর ওলীগণকে বন্ধুরুপে গ্রহণ না করা বে-দ্বীনী।হাদিসে কুদসীতে আছে-
“অর্থাৎ যে আমার বন্ধুর প্রতি শত্রুতা পোষণ করে, তার বিরুদ্ধে আমি যুদ্ধ ঘেষণা করলাম”
★মিশকাত শরীফঃ১৯৭ পৃঃ

অন্যত্র মহান রব এরশাদ ফরমান-
অর্থাৎ আমি শয়তানদেরকে তাদেরই বন্ধু করেছি,যারা ঈমানদার নয়।”
★সূরা আরাফঃ২৭ নং আয়াত।

মোটকথা, শয়তান কাফিরদেরই ওলী মিন দুনিল্লাহ। (আল্লাহ ব্যতীত অন্য বন্ধু)।অধিকাংশ স্থানে ‘মিন-দুনিল্লাহ’ মানে এটাই।
তৃতীয়তঃএরশাদ হচ্ছে-
“নিশ্চয় তারা শয়তানদেরকে আউলিয়া মিন্ দুনিল্লাহ(আল্লাহর মোকাবেলায় বন্ধু) হিসেবে গ্রহণ করে নিয়েছে।”
★সূরা আরাফঃ৩০ নং আয়াত।